
ইরান যুদ্ধ গড়াল ১০০ দিনে, ট্রাম্প হিমশিম খাচ্ছেন যেখানে
মার্কিন নাগরিকদের বড় একটি অংশ মনে করে, ইরান যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী।

মার্কিন নাগরিকদের বড় একটি অংশ মনে করে, ইরান যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী।

সাবেক মার্কিন নৌকর্মকর্তা হারলান উলম্যান বলছেন, ইরানে বিধ্বস্ত এফ–১৫ই যুদ্ধবিমানের পাইলটকে উদ্ধারের অভিযান অত্যন্ত বিপজ্জনক হবে। এতে হেলিকপ্টার ও গানশিপ ব্যবহার করে দ্রুত ‘ইন অ্যান্ড আউট’ অপারেশন চালানো হতে পারে। ইরানের তল্লাশির কারণে অভিযান দ্রুত শেষ করতে হবে।

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির প্রমাণ স্যাটেলাইট চিত্রে।

ইরাক চেষ্টা করছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখতে।

ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে বিমান ও নৌবাহিনী পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনায় রাখছে।

দ্য ইকোনমিস্ট-এর প্রতিবেদনে ফাঁস হয়েছে রাশিয়ার গোপন পরিকল্পনা, যাতে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ফাইবার-অপটিক ও স্টারলিংক ড্রোন সরবরাহ এবং প্রশিক্ষণের প্রস্তাব ছিল। জিআরইইউ-এর ১০ পৃষ্ঠার নথিতে ডায়াগ্রাম ও মানচিত্র রয়েছে। ড্রোন সরবরাহ বা প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে কি না তা স্পষ্ট নয়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল শুক্রবার বলেছেন, ইরান মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের মুখোমুখি না হয়ে বরং আলোচনার মাধ্যমে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চাইবে বলে তিনি আশা করছেন।

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইরাকের আকাশসীমায় একটি মার্কিন কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়েছে।

মার্কিন গোয়েন্দা বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ইরানি বন্দরে নৌ অবরোধের কারণে অন্তত চার মাস বড় অর্থনৈতিক বিপর্যয় ঘটবে না। পারস্য উপসাগরে চলমান সংঘাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১০১ ডলার ছাড়িয়েছে।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সাতটি সামরিক উড়োজাহাজ ধ্বংসের শিকার হয়েছে। গতকাল এফ-১৫ই ও এ-১০ সহ নতুন দুটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এর আগে কুয়েত, ইরাক, সৌদি আরবে বিভিন্ন ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী না খুললে ইরানের অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকি দিয়েছেন। একই সঙ্গে ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির আলোচনার খবর পাওয়া গেছে। গত শুক্রবার ইরান মার্কিন এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে, যার নিখোঁজ ক্রুকে উদ্ধার করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইসলামাবাদে ১১ এপ্রিল শান্তি আলোচনার জন্য ইরান ১০ দফা প্রস্তাব দিয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ, নিষেধাজ্ঞা বাতিলসহ কঠোর শর্ত রয়েছে। তেহরান এছাড়া যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ ও সম্পদ ফেরতেরও দাবি জানিয়েছে।