
বুন্দিয়ার রেসিপি
বেসনের সঙ্গে বেকিং পাউডার, বেকিং সোডা, খাবার রং ও লবণ দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। তেল ও ঘি গরম করে বুন্দিয়া ভেজে নিন।

বেসনের সঙ্গে বেকিং পাউডার, বেকিং সোডা, খাবার রং ও লবণ দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। তেল ও ঘি গরম করে বুন্দিয়া ভেজে নিন।

হোটেলে ঢুকতেই প্যারিসের মাটিতে বাংলার আসল রূপ দেখা গেল, রেস্তোরাঁটির সব টেবিল ঠাসা বাঙালিতে ভরা। সবাই হইহই করে কাচ্চি বিরিয়ানি খাচ্ছে আর উচ্চ গলায় গল্পে রেস্তোরাঁটির পরিবেশ গরম করে রেখেছে।

এক টেবিল চামচ কুসুম গরম পানিতে ইস্ট ও চিনি ভিজিয়ে রাখুন। ময়দা, বেসন, জর্দার রং ও চালের গুঁড়া একসঙ্গে মেশান।

প্রথমে দুধ হালকা গরম করে চুলা বন্ধ করে তাতে ভিনেগার দিয়ে দুধ ফাটিয়ে মসলিন কাপড়ে ঢেলে সারা রাত রেখে পনির থেকে পানি ছেঁকে নিন।

একটি বাটিতে সুজি, ময়দা, লবণ, বেকিং সোডা ও তালমাখনা ভালো করে মিশিয়ে কুসুম গরম পানি দিয়ে মাখিয়ে শক্ত ডো তৈরি করুন।

ঠান্ডা বাতাস, গরম পানিতে গোসল, পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া এবং অনিয়মিত স্কিনকেয়ার রুটিন—সব মিলিয়ে এই সময়ে ত্বকের পানিশূন্যতা আরও বেড়ে যায়।

বাটিতে সুজি, ময়দা, লবণ, বেকিং সোডা ও তালমাখনা নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মাখিয়ে শক্ত ডো তৈরি করুন।

সস প্যানে মাখন ও অলিভ অয়েল গরম করুন। পেঁয়াজ ও রসুন দিয়ে নরম হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। এরপর গাজর দিয়ে ২-৩ মিনিট নেড়ে নিন।

প্যানে মাখন গরম করে রসুন খুব অল্প সময় নেড়ে নিন। এবার গাজর দিয়ে উচ্চ আঁচে ৩ থেকে ৪ মিনিট নেড়ে নিন।

চিজ বোরেক বানাতে শুরুতে ময়দা, ইস্ট, চিনি, লবণ একসঙ্গে মিলিয়ে নিন। ৩ টেবিল চামচ দুধ আলাদা করে রাখুন। বাকি দুধ কুসুম গরম করে নিন।

নেত্রনালি হলো চোখের সঙ্গে নাকের একধরনের সংযোগ, যার মাধ্যমে চোখের অতিরিক্ত পানি নাকের ভেতরে নিষ্কাশিত হয়। নাকের গরম নিশ্বাস–প্রশ্বাসে এটি বাষ্পীভূত হয়ে যায়।

প্রতিদিন বিকেলে গরম পানিতে গা ডুবিয়ে থাকতেন ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ান বোনাপার্ট।