
সৌদি আরব থেকে ইরানের সামরিক অ্যাটাশেসহ পাঁচ দূতাবাসের কর্মীদের বহিষ্কার
সৌদির আগে কাতারও তাদের দেশ থেকে ইরানি সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়।

সৌদির আগে কাতারও তাদের দেশ থেকে ইরানি সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়।

এই জাতিকে আল্লাহ অল্প শ্রমে অধিক সওয়াব, জুমার নামাজ, নামাজের কাতার ফেরেশতাদের মতো হওয়াসহ এমন কিছু বিশেষত্ব দিয়েছেন, যা আগের জাতিগুলোর না।

কাতার থেকে আমদানি হয় ৭০ শতাংশ এলএনজি, দেশটির উৎপাদন বন্ধ থাকবে লম্বা সময়। বিকল্প উৎসের সন্ধান। দাম চড়া।

উপসাগরীয় অঞ্চলের ছয় দেশ—সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), কাতার, ওমান, বাহরাইন ও কুয়েত থেকেই আসে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয়

গত বছর কাতারে ইসরায়েলের হামলার পর সৌদি আরব ও পাকিস্তান পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি করে।

আনন্দের ঈদে এবার আতঙ্কই বেশি মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের মনে। মাথার ওপর দিয়ে ক্ষেপণাস্ত্র আর ড্রোনের ওড়াউড়ি দেখতে হচ্ছে তাঁদের, কখন কোথায় আঘাত হানে, সেই ভয় নিয়ে থাকতে হচ্ছে প্রতিক্ষণ।

ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও ক্ষয়ক্ষতির কারণে স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরতে কাতার এনার্জির অনেক বেশি সময় লেগে যেতে পারে।

যুদ্ধের মধ্যে লাখো পরিচ্ছন্নতাকর্মী, নির্মাণশ্রমিক, গাড়িচালক এবং নিরাপত্তাপ্রহরীই উপসাগরীয় দেশগুলোর চাকা সচল রেখেছেন। কিন্তু তাঁদের কাজ করতে হচ্ছে চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে।

কাতার ও সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের ২ ট্রিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ সম্পর্ক পুনর্বিবেচনার কথা ভাবছে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা দেবে।

নিন্দা জানানো আটটি মুসলিম দেশ হলো কাতার, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিসর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে ৬২ হাজার টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা ছিল ‘লিব্রেথা’ নামের একটি ট্যাংকারের। তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ঘিরে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করায় ট্যাংকারটি এখন পারস্য উপসাগরেই আটকে আছে।

বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১৫০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে বলে সতর্ক করেছেন কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী।