
কী যেন
মুহূর্তরা হারিয়ে না গেলে দিতে পারত সাক্ষ্য

মুহূর্তরা হারিয়ে না গেলে দিতে পারত সাক্ষ্য

লোকে বলে, জল ভাটিতে গড়ায়, দেশ ভরে গেছে খরা ও চরায়, মরু-সাহারার হাহাকারে-বাঁচা বৃক্ষের মূলে মাটি-জল নাই—

বিস্মৃত হয়ে গেছে বাড়ি বাড়ি হেঁটে যাওয়া সম্মিলিত সোয়েটার, নিরুপদ্রব শীতের ছুটি, সংহতি আর বনভোজনের গূঢ় বনেরা।

কারণ আমার শীতের পোশাক রেখে এসেছি মন-খারাপ-করা শীতবরফের দেশে!

তবু বেঁচে আছে জীবন কারণ, এখনো না–বলা রয়ে গেছে অনেক কিছু।

তোমার নীরব ঠোঁটে চুম্বনের দাগ লেগে আছে স্খলনের চিহ্ন মুছে, মৃতের রক্ষক এই চাঁদ আর আমি; ঘুমের ওপর নড়ে ছায়া, দূরত্বে তোমার...

যা কিছু বেশি, যা কিছু অনন্ত যা কিছু গৌরব, যা কিছু দিগন্ত যা কিছু শ্রেষ্ঠ, যা কিছু জীবন্ত

ফুরিয়ে গেলে সকল কুসুমিত জিজ্ঞাসা— নখের ছায়া ভুলে পাড়ি দিয়ো অক্ষুণ্ন বিষাদ।

কালপুরুষ রোহিণী শ্রবিষ্ঠা রেবতী আমার ঘরে ঢুকে পড়ে, মনোযোগী শ্রোতার ন্যায় বসে থাকে, মাঝেমধ্যে গলাখাঁকারি দেয়, ভাবখানা এমন, আমরা এসেছি, তবু কথা বলছ না?

এ নিদানে দায় তুমি, কার নামে খোঁজো! সব দায় নিজে নাও, নিজের গরজে।

মৌন ইতিহাস থেকে উঠে আসে বৃহৎ বিস্ফোরণ উড়ে যায় বৃহৎকেশীর মন খারাপের মেঘ