
চট্টগ্রামে কেন ঘন ঘন বিদ্যুৎ যাচ্ছে, দিনে কত লোডশেডিং
চট্টগ্রামের ২৩টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাঁচটি বন্ধ, উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে।

চট্টগ্রামের ২৩টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাঁচটি বন্ধ, উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে।

গ্রীষ্মের তাপে পুড়ছে কক্সবাজার। প্রখর রোদ আর খরতাপে জনজীবন বিপর্যস্ত হলেও এ জেলার দুটি শিল্পের জন্য এমন আবহাওয়া অনুকূল। এর একটি লবণশিল্প, অন্যটি শুঁটকি। লবণের উৎপাদন অব্যাহত থাকলেও মাছের অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে জেলার শুঁটকিপল্লির বেশির ভাগ মহাল।

ঢাকার একটি পোশাক কারখানার মালিক গত বছর হিসাব কষে দেখলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিল তাঁর উৎপাদন ব্যয়ের প্রায় ২২ শতাংশ।

তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে। জ্বালানির অভাবে ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন। কারিগরি কারণে আদানির একটি ইউনিট বন্ধ।

ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানিসংকট ও লোডশেডিংয়ে কৃষকের সেচকাজ ব্যাহত হচ্ছে, বেড়ে যাচ্ছে উৎপাদন খরচ।

পেন্টাগন ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে একাধিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে

বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই কার্যকর নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা না নেওয়া হলে ইলিশসহ সামুদ্রিক মাছের উৎপাদন আরও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

জ্বালানির অভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন কম। বরাবরের মতো লোডশেডিংয়ের প্রায় পুরোটাই হচ্ছে গ্রামে।

ভোগ্যপণ্য উৎপাদন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি সচল রাখার ক্ষেত্রে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রশংসা করেন প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম।

ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির ঊর্ধ্বতন পরিচালক অরিঞ্জয় ধর বলেন, ‘এই কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা সরাসরি উৎপাদন সক্ষমতায় বিনিয়োগ করছি।’

কক্সবাজারের লবণচাষিরা আজ বহুমুখী সংকটের মুখোমুখি। একদিকে উৎপাদন খরচের চেয়েও অনেক কম দাম, অন্যদিকে প্রকৃতির বৈরী আচরণ—এই দুইয়ের জাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে প্রান্তিক চাষিরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন।

চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে (জানুয়ারি-মার্চ) বা প্রথম প্রান্তিকে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ শতাংশ বেড়েছে।