
ছাগল কিনলেই হাজার টাকা ‘চাঁদা’, ভাগ পাওয়ার দাবি নাকচ পুলিশের
রাজধানীর আরামবাগের এজিবি কলোনির মুখের সড়কে ছাগল কিনতে আসা ব্যক্তিরা চাঁদাবাজির শিকার হন।

রাজধানীর আরামবাগের এজিবি কলোনির মুখের সড়কে ছাগল কিনতে আসা ব্যক্তিরা চাঁদাবাজির শিকার হন।

এই বিশাল আয়োজনের ফলে কোরবানির দিনে ঢাকাসহ বড় শহরগুলোয় ২০ থেকে ৩০ হাজার টন বর্জ্য উৎপন্ন হয়, যা যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা না করলে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

মনিরুজ্জামান বলেন, ‘সরকার বলেছে, আমাদের যা দাম আছে সে টাকা দিয়া দিবে, নইলে কুরবানীর জন্য গরু দিয়া দিবে।’

শুধু উপহার দেওয়া নয়, মানুষের মর্যাদা রক্ষার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিয়েছেন তাঁরা। তাই প্রকাশ্যে কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং নীরবে বাড়িতে গিয়ে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে উপহার।

হাটে পশুকে নির্মমভাবে পেটানো, ট্রাকে গাদাগাদি করে আনা, কিংবা জবাইয়ের সময় অপ্রয়োজনীয় কষ্ট দেওয়া—আমাদের প্রতিদিনের চিত্রে পরিণত হয়েছে।

মৌসুমি বায়ু দেশে প্রবেশের আগের এ সময় প্রকৃতির ‘বেহিসাবি’ আচরণ চোখে পড়ছে। এটাকে এ সময়ের বৈশিষ্ট্য বলেই মনে করেন আবহাওয়াবিদেরা।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ বিশ্বজিৎ চৌধুরী মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘ঈদের দিন বৃহস্পতিবার সকালেও থেমে থেমে বৃষ্টি হতে পারে।’

কোরবানির ঈদে চট্টগ্রাম নগরের পশুর হাটগুলোতে অন্তত দেড় হাজার কোটি টাকার গরু-ছাগল বিক্রি হয়। কোরবানির হাটে প্রায় দেড় লাখ গরু এবং ৫০ হাজার ছাগল বিক্রি হয় বলে তথ্য তাঁদের।

বিবিরহাট ও সাগরিকা পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, এবার গরুর তুলনায় ছাগলের খোঁয়াড়ে ভিড় বেশি। বিশেষ করে ছোট পরিবার ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের আগ্রহ চোখে পড়েছে। তবে দাম নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের বক্তব্যে মিল নেই। ক্রেতাদের অভিযোগ, গত বছরের তুলনায় ছাগলের দাম কিছুটা বেড়েছে। অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, শেষ দিনে এসে উল্টো কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

শুধু পুরো গরু নয়, ভাগে কোরবানির সুযোগও এখন মিলছে অনলাইনে। আছে কসাইসেবাও।

আবদুল মাজেদ বলেন, গত রোববার ও সোমবার তিনি তেজগাঁও পলিটেকনিক ও ৩০০ ফুটের হাট ঘুরে দেখেছেন।

কোরবানির জন্য মহিষ কিনেছেন এমন তিনজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, সবাই ভাগে মহিষ কোরবানি দিচ্ছেন।