
ফয়জুল করীমের আসনে প্রার্থী দেবে না জামায়াত
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিমের একটি আসনে প্রার্থী সরিয়ে নিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিমের একটি আসনে প্রার্থী সরিয়ে নিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা দিলেও তাদের জোটে ফিরে আসার সুযোগ থাকার কথা জানিয়েছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

ইসলামী আন্দোলন জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় ফাঁকা হওয়া ৪৭টি আসন ১০ দলের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতেই বণ্টন হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।

২০২৬ সালের বিক্ষোভ কয়েকটি কারণে আলাদা গুরুত্ব বহন করে। এই আন্দোলন শুরু হয় এমন এক সময়ে, যখন আঞ্চলিক পর্যায়ে ইরান বড় ধরনের কৌশলগত চাপের মুখে ছিল।

জামায়াতসহ পাঁচটি ইসলামি দল এক মোর্চায়, বিএনপির সঙ্গে তিনটি এবং ইসলামী আন্দোলন এককভাবে ভোট করছে।

দফায় দফায় বৈঠক করেও জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গতকাল বুধবার রাত পর্যন্ত আসন সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি।

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আসন সমঝোতা যখন জটিলতায়, তখন নতুন জোটের ইঙ্গিত দিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান।

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং আল্লামা মামুনুল হকের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নির্বাচনী আসন সমঝোতায় থাকবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। আসন বণ্টন বিষয়ে অসন্তোষ থেকেই এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার সাত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর আন্দোলন-এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই কর্মসূচির কথা জানানো হয়।

আসন সমঝোতার আলোচনায় থাকা ইসলামী আন্দোলন শুরু থেকে শতাধিক আসনে নির্বাচন করতে চেয়েছিল।

ইরানের ভেতরে বর্তমানে চলমান সুসংগঠিত গণ-আন্দোলন ছাড়াও দেশ-বিদেশে বেশ কিছু শক্তিশালী বিরোধী গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’–এর জয় নিশ্চিতে অন্তর্বর্তী সরকার, রাজনৈতিক দলসহ সবাইকে তৎপর হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিপুলভাবে জিততে না পারলে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ সবকিছু প্রশ্নের মুখ পড়বে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।