
গুচ্ছকবিতা :: পল্লব মোহাইমেন
সূর্যের সেই সোনারঙা আলো শরীরী বাঁকে এনে দেয় মহুয়ার ঘ্রাণ।

সূর্যের সেই সোনারঙা আলো শরীরী বাঁকে এনে দেয় মহুয়ার ঘ্রাণ।

সৃজনে আনন্দ, সৃজনে আয়, সৃজনই সবকিছু। অন্য কোনো পেশা নেই। এ ধরনের মানুষের দীর্ঘ আয়ুর প্রয়োজন। অনেক অনেক কাল বেঁচে থাকুন, ভাই ধ্রুব এষ।

‘আর্থার মিলারের সাক্ষাৎকার’টি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯৮ সালের ৬ নভেম্বর মুক্তকণ্ঠের প্রথম বর্ষের তৃতীয় সংখ্যার ‘শুক্রবারের সাময়িকী’তে। তখনো মুক্তকণ্ঠ অনলাইন কার্যক্রম শুরু হয়নি, তাই গল্পটি এত দিন শুধু ছাপা পত্রিকার পাতাজুড়েই ছিল। সাক্ষাৎকারটি আজ প্রথমবারের মতো ‘অন্য আলো’র অনলাইন পাঠকের জন্য উপস্থাপন করা হলো।

হাসান আজিজুল হকের ‘দিবাস্বপ্ন’ গল্পটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯৮ সালের ৬ নভেম্বর মুক্তকণ্ঠের প্রথম বর্ষের তৃতীয় সংখ্যার ‘শুক্রবারের সাময়িকী’তে। তখনো মুক্তকণ্ঠের অনলাইন কার্যক্রম শুরু হয়নি, তাই গল্পটি এত দিন শুধু ছাপা পত্রিকার পাতাজুড়েই ছিল। গল্পটি আজ প্রথমবারের মতো ‘অন্য আলো’র অনলাইন পাঠকদের জন্য উপস্থাপন করা হলো।

সক্রেটিস চোখ তুলে আকাশের দিকে তাকালেন, যেন অদৃশ্য কোনো ভোরের আলো দেখতে পাচ্ছেন, ‘তোমরা ভয় পেয়ো না।

মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের একটি আয়োজন বিনা মূল্যে মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা সভা। এ আয়োজনের আওতায় গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ মুক্তকণ্ঠের কার্যালয় কারওয়ান বাজারে ১৭৭তম অনলাইন পরামর্শ সহায়তা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

একদিকে ধনকুবেরের বিলাসী জীবন, অন্যদিকে চে গুয়েভারার বিপ্লবের স্বপ্ন সাকার করার আকাঙ্ক্ষা। এক হাতে বিশ্বে তোলপাড় ফেলে দেওয়া বইয়ের পাণ্ডুলিপি, অন্য হাতে ‘অস্ত্র’। গত শতকের ইউরোপীয় ইতিহাসে জিয়ানজিয়াকোমো ফেলত্রিনেল্লির (Giangiacomo Feltrinelli) চেয়ে রহস্যময় ও বৈপরীত্যে ভরা চরিত্র কি আছে?

শাহাদুজ্জামানের গল্পটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯৮ সালের ৬ নভেম্বর মুক্তকণ্ঠের প্রথম বর্ষের তৃতীয় সংখ্যার ‘শুক্রবারের সাময়িকী’তে। তখনো মুক্তকণ্ঠ অনলাইন কার্যক্রম শুরু হয়নি, তাই গল্পটি এত দিন শুধু ছাপা পত্রিকার পাতাজুড়েই ছিল। গল্পটি আজ প্রথমবারের মতো অন্য আলোর অনলাইন পাঠকের জন্য উপস্থাপন করা হলো।

নর্ডিক দেশগুলো কবিতার মতো। মাথায় তাদের অরোরার মুকুট। শরীরটা রুপালি বার্চগাছের। পায়ের কাছে ফিওর্ডের জল। বছরের বেশিরভাগ সময় বরফে ঢাকা এই দেশগুলোর কবিতা তাই এক অদ্ভুত প্রশান্ত রূপের প্রতিচ্ছবি। এইসব দেশের কবিরা অনুপ্রেরণা পান প্রকৃতি থেকে—পান শক্তি ঘন বন, নীল হ্রদ, আর অরোরার নেচে নেচে যাওয়া আলো থেকে। তাঁদের কবিতায় জীবনের প্যাস্টেল রঙের ফুল ফোটে—হালকা নীল-বেগুনি-গোলাপি-সাদা।

পরদিন তিনি ওয়াহিদুল গনিকে সঙ্গে করে নড়াইল গেলেন। অনেক খুঁজে পেতে জাহান ভূ-চিত্রাবলী আর কত দেশ, কত দিগন্ত কিনলেন। ওয়াহিদুল গনি অকৃতদার, তদুপরি বিশ্বপর্যটক। শীতের মৌসুমে সাইকেল নিয়ে নড়াইল নয়তো দৌলতপুর চলে যান। যখন ফিরে আসেন, বাবলুর জন্য কত কী যে নিয়ে আসেন—পেন্সিল শার্পনার, স্ট্যাপলার, কলম। ছেলেটির আবার এসব জিনিসে দারুণ শখ। বাবলু—আবুল কালামের ছেলে—বাবাকে বলে, বাবা, তুমি যখন নড়াইল-টড়াইল যাও, গনি চাচার সঙ্গে যাবে, আর কারও সঙ্গে না। ব্যস। বুঝেছো?

১৯৯৪ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ। জুলাই মাসের এক ভোর। টাইব্রেকারের শেষ শটটি জালে জড়াতেই হৃদপুর বন্দরের রাস্তায় নেমেছিল ব্রাজিল ফুটবল উৎসব। মিছিলটা বেরিয়েছিল তৈবরদার বাড়ির সামনে থেকে। সামনে তবারক কাকু। পরনে ক্যানারি হলুদ জার্সি। হাঁটু পর্যন্ত হাফপ্যান্ট। পায়ে ফুটবল বুট। দুই হাতে বুকের কাছে আগলে রাখা একটি ফুটবল। দেখে মনে হচ্ছিল, বিশ্বকাপটা রোমারিও নয়, তিনিই জিতে ফিরেছেন।

মালয়েশিয়াকে নিয়ে লেখা ইংরেজি ভাষার অনেক জনপ্রিয় বই আছে। তবে সেসব বইয়ে ঘুরেফিরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও জাপানি দখলদারির গল্প আসে; কিন্তু আজকের মালয়েশিয়াকে বুঝতে চাইলে অতীতের গল্পে পড়ে থাকলে চলবে না। দেশটির সমাজ, রাজনীতি, সংস্কৃতি ও মানুষের জীবন অনেক বদলে গেছে। সেই পরিবর্তনের গল্পও উঠে এসেছে সমসাময়িক লেখকদের বইয়ে। মালয়েশিয়াকে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার সুযোগ দেয়, এমন চারটি বইয়ের খোঁজ জেনে নিন।