
ইরানজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ
প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা এই বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ইরানে হামলার হুমকিও দিয়েছেন।

প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা এই বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ইরানে হামলার হুমকিও দিয়েছেন।

গত মাসে তেহরানে শুরু হওয়া এ বিক্ষোভ ইতিমধ্যে ইরানের ৩১ প্রদেশের সব কটিতে ছড়িয়ে পড়েছে।

ইরানে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের স্বঘোষিত ‘যুবরাজ’ রেজা পাহলভির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন।

প্রথমবারের মতো ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন যে ইরানের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য শুধু নিষেধাজ্ঞাকেই দায়ী করা যায় না।

ইরানের প্রেসিডেন্ট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন।

গত ১২ দিনে ইরানের ৩১টি প্রদেশের মধ্যে ২৫টির ৩৪৮টি স্থানে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার খবর জানা গেছে।

ইরানে সহিংস বিক্ষোভ চলছেই। অর্থনৈতিক সংকটে ধুঁকতে থাকা দেশটির বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভে নেমেছেন লোকজন।

ইরান সরকারের বিরুদ্ধে শত্রুকে সাহায্য করা ব্যক্তিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না

ইরানের হুঁশিয়ারিতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মা-বা এবং বয়স্ক স্বজনদের সঙ্গে ছোট শিশুদেরও বিক্ষোভে শামিল হতে দেখা গেছে।

নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা ইরানকে তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শিল্প পুনর্গঠন করতে দেব না। আর অবশ্যই তাদের পরমাণু কর্মসূচি আবার শুরু করতে দেব না, যেটির ব্যাপক ক্ষতি আমরা করেছি।