
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

যদি ২০২০ সালের পর নিয়মিত দেশব্যাপী অতিরিক্ত টিকাদান কর্মসূচি না হয়ে থাকে, তাহলে সেই প্রশ্ন আগের প্রশাসনের দিকেও যায়।

দেশে হাম ও এর উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৬ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত ৪৮১ জন। ১৩৮ জনের হামের সংক্রমণ নিশ্চিত।

দেশে হামে সাড়ে তিনশতের বেশি শিশুর মৃত্যু হলেও কিছু অভিভাবক ভুল ধারণায় টিকা দিচ্ছেন না। রাজধানীর গাজী বস্তিতে এমন অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ সচেতনতা তৈরির জন্য ব্যাপক প্রচারণার পরামর্শ দিয়েছেন।

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় হামে আক্রান্ত হয়ে ২২ দিন লড়াইয়ের পর মারা যায় চার মাসের একমাত্র সন্তান আবদুল্লাহ আল সাফওয়ান। দরিদ্র পরিবার হাসপাতালে ঘুরতে ঘুরতে ৮০ হাজার টাকা ধার করে চিকিৎসা করে। জেলায় হামে ২৩৩ জন ভর্তি, একের মৃত্যু হয়েছে।

বান্দরবানের আলীকদমে হাম-রুবেলা টিকাদানে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৮ হাজার ৪ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। জেলায় ৯৮ শতাংশ অর্জন সত্ত্বেও হামের রোগী বাড়ছে। সিভিল সার্জন শাহীন হোসাইন চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে তথ্য দিয়েছেন।

দেশে হাম শনাক্তের পরীক্ষা হয় শুধু জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের ল্যাবরেটরিতে। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর মহাখালীর এই প্রতিষ্ঠানে গিয়ে জানা যায়, কিটসংকটের কারণে তারা পর্যাপ্ত নমুনা পরীক্ষা করতে পারছে না।

হামে আক্রান্ত যমজ শিশুর একজন ফাতেমা পিআইসিইউতে মারা গেছে।

এই ১৯টি বিদ্যালয়ের আশপাশে অন্তত শতাধিক তামাকচুল্লিতে পাতা শুকানো হচ্ছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার হিসাবে, শুধু এসব বিদ্যালয় ঘিরেই রয়েছে অন্তত ১১০টি চুল্লি।

হাম আক্রান্ত শিশুকে ঘিরে এক বাবার অসহায়তা, হাসপাতাল বাস্তবতা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া আলোচনা।

হাম ও রোগটির উপসর্গ নিয়ে রাজশাহী মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে ভর্তি শিশুদের ভোগান্তি বেড়েই চলেছে। বিশেষায়িত ওয়ার্ডে জায়গা না পেয়ে অনেক শিশুকে এখনো সাধারণ ওয়ার্ডের বারান্দায় চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

কিটসংকটে হাম পরীক্ষা কম, শনাক্তও কম