
ইরানে কি আসলেই হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানে কি আসলেই হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে কি আসলেই হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীন সফর শেষে গতকাল শুক্রবার দেশে ফিরেছেন। এখন তিনি ইরান নিয়ে বড় ধরনের কিছু সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বোমা হামলায় তেহরানের সাধারণ নাগরিকরা ব্যবসা-সঞ্চয় হারিয়ে আর্থিক-মানসিক বিপর্যয়ের মুখে। বেসামরিক এলাকায় হামলা বাড়ায় তারা প্রশ্ন তুলছেন, ‘স্বাধীনতা'র নামে এ ধ্বংসই কি কাম্য?

ইরান যুদ্ধকালে মধ্যপ্রাচ্যের স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ বন্ধ করেছে মার্কিন কোম্পানি প্ল্যানেট ল্যাবস। ট্রাম্প প্রশাসনের অনুরোধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যাতে প্রতিপক্ষ হামলা না চালাতে পারে। নাসার সাবেক বিজ্ঞানী ২০১০ সালে কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা করেন।

বিমানঘাঁটিটির অবস্থান কোথায়, তা উল্লেখ করেনি আইআরজিসি।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পসহ অন্য শীর্ষ মার্কিন রাজনীতিবিদেরা কিউবায় হামলা চালানোর হুমকি দিয়ে আসছেন। কিউবাও নিচ্ছে তা মোকাবিলার প্রস্তুতি।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাহবুব হোসেন বলেন, মানবাধিকার সংরক্ষণের নামে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন দেশে তাদের সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করে।

প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ব্যাটারির ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রটি যুক্তরাষ্ট্র ছুড়েছিল।

হরমুজ প্রণালি খুলতে ইরানের দেওয়া নতুন প্রস্তাবে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরানে মার্কিন সেনা উদ্ধারকে ইস্টারের অলৌকিক ঘটনা বলে ট্রাম্পের বক্তব্যে ধর্ম-রাজনীতি মিশ্রণ নিয়ে বিতর্ক উঠেছে। সমালোচকরা যুদ্ধকে ধর্মীয় ছোঁয়া দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। কেয়ার ও গ্রিনসহ বিভিন্ন পক্ষ তীব্র সমালোচনা করেছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানে নতুন করে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী সরাসরি যোগ দিয়েছে। গতকাল শনিবার তারা ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এতে সংঘাত আরও বিস্তৃত হয়েছে।