
আমাদের অরক্ষিত প্রাণবৈচিত্র্য বনাম অসম বাণিজ্যচুক্তি
বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সঙ্গে করা দুটি বাণিজ্যচুক্তির কারণে দেশের প্রাণবৈচিত্র্যজগতে নতুন সংকট, ঝুঁকি ও হুমকি তৈরি হলো কি না, তা নিয়ে লিখেছেন পাভেল পার্থ

বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সঙ্গে করা দুটি বাণিজ্যচুক্তির কারণে দেশের প্রাণবৈচিত্র্যজগতে নতুন সংকট, ঝুঁকি ও হুমকি তৈরি হলো কি না, তা নিয়ে লিখেছেন পাভেল পার্থ

জাপানের মেক্সট স্কলারশিপে আইইএলটিএস বা টোয়েফল ছাড়াই আবেদন করা যায়। কোনো ফি ছাড়াই মাসিক ভাতা, বিমান ভাড়া ও টিউশন ফি মওকুফের সুবিধা। ২০২৭ অধ্যয়নকালের জন্য ১২ মে ২০২৬ পর্যন্ত আবেদন চলছে।

দেশের গাছের চারা রপ্তানি খাতে উজ্জ্বল শুরু হলেও জটিলতা ও সরকারি সহায়তার অভাবে আয় ধসে পড়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১.৩৪ লাখ ডলার থেকে ২০২৪-২৫-এ নেমে ১১ হাজার ডলার। রপ্তানিকারকেরা প্রণোদনা ও সুবিধা দাবি করছেন।

জাপানের ‘টোব মাকি স্কলারশিপ প্রোগ্রাম-২০২৬’ এর মাধ্যমে আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীরা স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে পড়াশোনা করতে পারবেন। স্নাতকোত্তরে মাসিক ৭০,০০০ ইয়েন, স্নাতকে ৬০,০০০ ইয়েন ভাতা। আবেদনের শেষ সময় ৮ মে ২০২৬।

কান চলচ্চিত্র উৎসবের মূল প্রতিযোগিতায় জায়গা পেয়েছে জাপানের তিনটি সিনেমা, যার মধ্যে হিরোকাজু কোরে-এদার ‘শিপ ইন দ্য বক্স’ সবচেয়ে আলোচিত। রিউসুকে হামাগুচি ও কোজি ফুকাদার ছবিও প্রতিযোগিতায়। উৎসব চলতি মাসের ১২ তারিখ থেকে শুরু হবে।

টেবিল টেনিস খেলায় দক্ষ হয়ে ওঠা রোবটটি আসলে একটি রোবট বাহু। বাহুটি একটি চার কোনা এবং নিচে চাকাযুক্ত বাক্সের ওপর বসানো।

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে তেলের বাজারে যে ধাক্কা লেগেছে, তাতে এশিয়ার অনেক দেশের নাজেহাল অবস্থা।

চাঁদের পৃষ্ঠে স্থাপিত সোলার সেলগুলো সূর্যালোক গ্রহণ করে তা বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করবে। এরপর এই শক্তি দুটি উপায়ে পৃথিবীতে পাঠানো হবে।

জাপানের পদবি-সংক্রান্ত আইনের কারণে বিয়ের ঝামেলা এড়াতে একই পদবির তরুণ-তরুণীর ম্যাচমেকিং অনুষ্ঠান। বিয়ের পর একই পদবি বাধ্যতামূলক হওয়ায় নারীরা নাম বদলাতে বাধ্য, যা ক্যারিয়ারে সমস্যা সৃষ্টি করে। সরকার পরিবর্তন প্রত্যাখ্যান করলেও এই উদ্যোগ সমস্যা তুলে ধরছে।

ব্যাপারটা আসলে এতটা গোলমেলে কখনোই ছিল না। দ্বিতীয় বউটাও হুট করে ডিভোর্স দিয়ে চলে যাওয়ার পর অভ্যাসটা প্রচণ্ড রকম বাজে হয়ে উঠছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে স্পষ্ট ও ধারাবাহিক নীতির অভাবের পাশাপাশি এর যথাযথ প্রয়োগের অভাবে বিনিয়োগের পরিবেশ দুর্বলই থেকে যাচ্ছে।

গত বছরের আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে পরিচালিত এই জরিপে বাংলাদেশে কাজ করা ৫৯টি জাপানি ও অংশীদারি কোম্পানি তাদের মতামত জানিয়েছে।