
ভোটারের মুখে আবেগ কম, হিসাব বেশি
জাতীয় নেতা, স্থানীয় প্রার্থী ও আঞ্চলিক সমীকরণে কক্সবাজারের চার আসনে ভোটের হিসাব জটিল হয়ে উঠেছে।

জাতীয় নেতা, স্থানীয় প্রার্থী ও আঞ্চলিক সমীকরণে কক্সবাজারের চার আসনে ভোটের হিসাব জটিল হয়ে উঠেছে।

আমি তাঁদের নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করি—ভোট দেবেন কাকে? একজন বলে, আপনি বলেন, কাকে ভোট দেব? এমন পাল্টা প্রশ্নে আমি কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে যাই।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই দিন অনলাইনে ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে।

কে, কাকে ভোট দেবেন—সেটা অন্য রকম ‘একটি বিষয়’ বলেই মনে করেন ঢাকা-১৪ আসনে এলডিপির প্রার্থী মো. সোহেল রানা।

নির্বাচনের দিনক্ষণ নিয়ে যাদের সংশয় রয়েছে, তা উড়িয়ে দিলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, নির্ধারিত সময়ের এক দিন আগেও নয়, এক দিন পরেও নয়, ১২ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে।

প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের মধ্যে প্রায় ৫ কোটিই তরুণ; নির্বাচনী লড়াইয়ে তাঁদের গুরুত্ব থাকাটাই স্বাভাবিক। সেই গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তুলেছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান। কারণ, এর নেতৃত্বে ছিলেন তরুণেরা। দুই মিলিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হার–জিত তরুণ ও নতুন ভোটাররাই নির্ধারণ করে দিতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।

চার প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির একজন ও জামায়াতের তিনজন। আসনগুলো হলো ঢাকা-৬ ও ৭, শেরপুর-১ ও গাইবান্ধা-৪।

এই আসনে প্রার্থী ১০ জন। ভোটার চার লাখের বেশি। ব্যানার–ফেস্টুন–বিলবোর্ডের প্রচারে এগিয়ে বিএনপি, এনসিপি ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ এবং চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের ফল প্রকাশ স্থগিত রয়েছে। আপিল বিভাগ বৃহস্পতিবার এ ব্যাপারে আদেশ জারি করবেন। নির্বাচন গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়।

পঞ্চগড়-১ (সদর-তেঁতুলিয়া-আটোয়ারী) আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বিএনপির প্রার্থী নওশাদ জমির এবং ১০-দলীয় জোটের প্রার্থী সারজিস আলমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনের ১০৭টি কেন্দ্রের ভোট পড়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১২০। এটি মোট ভোটার সংখ্যার প্রায় ৫৮ শতাংশ। এ আসনে বিএনপির নুরুল আমিন ৯৯টি কেন্দ্রে জিতে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান জয় পেয়েছেন ৮টি কেন্দ্রে। এর মধ্যে একটি পোস্টাল ভোটকেন্দ্র।

বিবৃতিতে বলা হয়, নির্বাচন-পরবর্তী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নয়ন ও শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয়, পেশাদার ও নিরপেক্ষ ভূমিকা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।