
ইরান যুদ্ধে ভুগছে সবাই, যুক্তরাষ্ট্র কতটা সুবিধায় আছে
যুক্তরাষ্ট্রের শুরু করা ইরান যুদ্ধে বিশ্ব অর্থনীতি ওলটপালট হলেও সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্রের শুরু করা ইরান যুদ্ধে বিশ্ব অর্থনীতি ওলটপালট হলেও সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

যদি অস্ত্র পরিদর্শকদের প্রবেশাধিকার বাধাগ্রস্ত হওয়া নিয়ে হয়, তবে যুদ্ধ চাপিয়ে দেশটিকে অবরুদ্ধ করে রাখলে সে কাজ কোনোভাবেই সহজ হওয়ার কথা নয়।

বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর জেনারেলরা এখন মনে করছেন, ভবিষ্যৎ আক্রমণ ঠেকাতে পারমাণবিক অস্ত্রই একমাত্র নিশ্চিত উপায়।

তিনি কখনো ইরান যুদ্ধের বড় সমর্থক ছিলেন না; এখনো যতটুকু সম্ভব নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছেন

মোজতবা খামেনির সব নির্দেশনা শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে পাঠ করে শোনানো হয়।

তারা মূলত বলিউড ছবির রূপকথার মাঝেই রাজনীতি ও পররাষ্ট্রনীতির সাফল্য খুঁজছে।

রাজনীতির একটি সহজ নিয়ম আছে, যা সাম্রাজ্যগুলো বারবার বুঝতে ব্যর্থ হয়। তা হলো অপমান আনুগত্য তৈরি করে না; বরং প্রতিরোধ সৃষ্টি করে।

যুদ্ধের বিভিন্ন দিক যাচাই করে যুক্তরাষ্ট্র দেখেছে, এই যুদ্ধে তাদের জেতার সম্ভাবনা খুব কম।

অনেক বিশ্লেষকের মতে, ইরানের নেতৃত্ব প্রকৃতপক্ষে ট্রাম্পের বর্ণনার চেয়ে অনেক বেশি ঐক্যবদ্ধ।

প্রশ্ন হচ্ছে, এই যে ডোনাল্ড ট্রাম্প গোটা সভ্যতাকে প্রস্তরযুগে পাঠিয়ে দিতে চান, তার পেছনে কি শুধুই ভয় দেখানোর রাজনীতি কাজ করে, নাকি আরও কারণ আছে?

হরমুজ প্রণালি শুধু জ্বালানি সরবরাহের পথ হিসেবেই নয়, বরং সাবমেরিন কেব্লের একটি গুরুত্বপূর্ণ করিডরও।

এক দশক ধরে বেইজিং অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে তাদের জ্বালানি উৎসে বৈচিত্র্য এনেছে।