
‘আগামী সপ্তাহের মধ্যে’ ইরানের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে আশাবাদী ট্রাম্প
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে পারবেন বলে আশাবাদী তিনি।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে পারবেন বলে আশাবাদী তিনি।

তাইওয়ানের কাছে ১ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের অস্ত্র আপাতত বিক্রি করছে না যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের জন্য গোলাবারুদের মজুত ধরে রাখতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মার্কিন গোয়েন্দা বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ইরানি বন্দরে নৌ অবরোধের কারণে অন্তত চার মাস বড় অর্থনৈতিক বিপর্যয় ঘটবে না। পারস্য উপসাগরে চলমান সংঘাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১০১ ডলার ছাড়িয়েছে।

তেহরান ওয়াশিংটনের মতো একই খেলা খেলছে—এই ধারণা। তা নয়। ইরান সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলকে পরাজিত করতে চাইছে না। বরং তাদের চেয়ে বেশি সময় ধরে টিকে থাকতে, তাদের লক্ষ্যকে জটিল করে তুলতে এবং খরচ বাড়িয়ে তুলতে চাইছে।

বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর জেনারেলরা এখন মনে করছেন, ভবিষ্যৎ আক্রমণ ঠেকাতে পারমাণবিক অস্ত্রই একমাত্র নিশ্চিত উপায়।

এক মাস ধরে চলছে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত। এই যুদ্ধে কি কেউ সত্যিকার বিজয়ী হবে, নাকি জয়-পরাজয় আপেক্ষিক? হরমুজ প্রণালী ও আন্তর্জাতিক তত্ত্বের আলোকে লেখক বিশ্লেষণ করেছেন।

ওয়াশিংটন এখন পর্যন্ত ইরানের বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র মজুতের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ ধ্বংসের বিষয়ে নিশ্চিত হতে পেরেছে।

অঞ্চলটিতে আগের যুদ্ধগুলোর মতো এই সংঘাত বছরের পর বছর ধরে চলবে—এমন ধারণা প্রত্যাখ্যান করেছেন নেতানিয়াহু।

জ্বালানিসংকটের মাধ্যমে ওয়াশিংটনকে পিছু হটতে বাধ্য করাই এখন তেহরানের প্রধান চাল।

আজ শনিবার ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর এনবিসি নিউজের লাইভে যুক্ত হয়ে এ কথা বলেছেন তিনি।

যদি অস্ত্র পরিদর্শকদের প্রবেশাধিকার বাধাগ্রস্ত হওয়া নিয়ে হয়, তবে যুদ্ধ চাপিয়ে দেশটিকে অবরুদ্ধ করে রাখলে সে কাজ কোনোভাবেই সহজ হওয়ার কথা নয়।

জর্ডানে মার্কিন বাহিনীর অবস্থানস্থল হিসেবে পরিচিত একটি বিমানঘাঁটিতেও হামলার দাবি করেছে আইআরজিসি।