
লেবাননে হামলা ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল উত্তেজনা কি বাড়তে পারে
গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সমঝোতা স্মারকে সই করে।

গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সমঝোতা স্মারকে সই করে।

আগামী শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই হওয়ার কথা। এর মধ্যেও দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন জনপদে বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল।

ইসরায়েলের সব রাজনৈতিক দল ও মতাদর্শের নেতারা একযোগে এই চুক্তির তীব্র নিন্দা ও সমালোচনা করেছেন। তাঁদের মতে, চুক্তিটি পুরোপুরি ইসরায়েলের স্বার্থের পরিপন্থী।

বিশ্লেষক গোল্ডবার্গ মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ছাড়া পূর্ণমাত্রার সংঘাতে ফিরে যাওয়ার মতো অবস্থায় ইসরায়েল নেই।

হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানের মধ্যে এ দুর্গ দখলের ঘটনা ঘটেছে।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বিপজ্জনক ধারণা হচ্ছে, উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরান অথবা ইসরায়েলের মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে হবে। রাজনৈতিকভাবে অতীব সরল এ ধারণা কৌশলগত দিক থেকে বিভ্রান্তিকর।

ইরানে আবহাওয়ার অভাবনীয় এই পরিবর্তনের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা ধরনের জল্পনা–কল্পনা।

জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়া কর্তৃক দখল করা ইউক্রেনীয় ভূখণ্ড থেকে ‘চুরি করা’ শস্য ইসরায়েলের কেনা কোনোভাবেই ‘বৈধ ব্যবসা’ হতে পারে না।

তাঁকে শাস্তি হিসেবে ৩০ দিনের সামরিক আটকাদেশ দেওয়া হয়েছে

গত বছরের অক্টোবরে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর সেখানে ‘ইয়েলো লাইন’ তৈরি করে ইসরায়েল।

এই ১০ জনের মধ্যে ৬ জনই যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক। বাকিরা ইউরোপের।

হিজবুল্লাহকে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে লেবানন সরকারের সক্ষমতা সীমিত