
আমানুল হক আলোকচিত্রে বাংলার প্রকৃতি ও জনজীবনের হাজার বছরের ইতিহাস তুলে ধরেন
আন্তর্জাতিক আলোকচিত্র উৎসব ছবি মেলা উৎসবের ১১তম সংস্করণ শেষ হচ্ছে আগামীকাল।

আন্তর্জাতিক আলোকচিত্র উৎসব ছবি মেলা উৎসবের ১১তম সংস্করণ শেষ হচ্ছে আগামীকাল।

আমি বীরাঙ্গনা বলছি বইটিতে লেখক এমন সাতজন বীরাঙ্গনার গল্প তুলে ধরেছেন, যাঁদের ত্যাগের বিনিময়েই আমাদের এই স্বাধীনতা।

দীর্ঘ ২০০ বছরের বেশি সময় এই দ্বীপ মুসলিম শাসনের অধীন ছিল, যা কেবল সামরিক বিজয় নয়, বরং জ্ঞানবিজ্ঞান ও সংস্কৃতির এক অনন্য মিলনস্থলে পরিণত হয়েছিল।

মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া আওয়ামী লীগ ও শেখ মুজিবুর রহমানের জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে। খুব স্বাভাবিকভাবেই সেই নির্বাচনে দলটির বড় বিজয় পাওয়াটা নিশ্চিতই ছিল। কিন্তু দলটির নেতা-কর্মীদের কারচুপি, অনিয়মের কারণে নির্বাচনটি বিতর্কিত হয়।

লাতিন আমেরিকার সমাজ আরব সমাজের মতোই। সেখানে দেশগুলোকেও আত্মমগ্ন ও জনতুষ্টিবাদী নেতাদের বোঝা বইতে হয়। আমি ২০০৭ সালে কারাকাস গিয়েছিলাম। তখন শহরটিকে সুন্দর ও পরিষ্কার মনে হয়েছিল। শহরটিকে ঘিরে বেশ কিছু বস্তি ছিল। আমাদের গাইড আক্ষেপ করে বলেছিলেন, বস্তিবাসীরা সবাই অভিবাসী। উন্নত জীবনের আশায় লাখ লাখ মানুষ এই তথাকথিত ধনী দেশে এসে জড়ো হয়েছে।

নবুয়ত যুগ থেকে উমাইয়া ও আব্বাসীয় আমল পর্যন্ত ইসলামি কারাগার ব্যবস্থার বিবর্তন। স্থায়ী জেলখানার প্রতিষ্ঠা, নিপীড়নের ঘটনা এবং মানবিক সংস্কারের ইতিহাস এই প্রথম পর্বে তুলে ধরা হয়েছে। শরয়ি দর্শন থেকে আধুনিক প্রশাসনিক রূপ পর্যন্ত যাত্রা।

উত্তর আফ্রিকা ও আন্দালুসের রাজদরবারে দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপোড়েনে বিপর্যস্ত হয়ে ৭৮৪ হিজরিতে ইবনে খালদুন মিসরে আশ্রয় নেন। জীবনের শেষ দুই দশক তিনি কাটান কায়রো শহরে।

যেকোনো অন্যায্য ব্যবস্থা টিকে থাকে মানুষের নীরব সম্মতির ওপর ভর করে। ইয়াজিদের ক্ষমতারোহণের সময় অধিকাংশ মানুষ নিরাপত্তার স্বার্থে বা বৈষয়িক কারণে চুপ ছিল।

ইসলামি ক্লাসিক যুগের বিখ্যাত ফকিহ, বিচারক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ইমাম আল-মাওয়ার্দির জীবনী ও অবদান। বাগদাদের প্রধান কাজি হিসেবে তাঁর দক্ষতা এবং ‘আল-আহকামুস সুলতানিয়া’র মতো গ্রন্থের মাধ্যমে ইসলামি রাজনীতির ভিত্তি স্থাপন করেন। তাঁর ইখলাস ও চরিত্রের বিস্ময়কর ঘটনাসমূহও উল্লেখযোগ্য।

জুওয়াইনি শিখিয়েছেন যে খেলাফত কেবল একটি ‘নাম’ নয়, এটি একটি ‘কাজ’। যদি খেলাফত না থাকে, তবে বাস্তবসম্মত প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি করা ইসলামের বিরোধী নয়।

বর্তমানের সুশৃঙ্খল পুলিশি ব্যবস্থার যে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ আমরা দেখি, মদিনার পুণ্যভূমিতে তার আদি রূপ দেখা যায়। ইতিহাসবিদের মতে, এ থেকেই পুলিশি ব্যবস্থার বীজ বপন হয়।

তাঁরা এমন এক প্রজন্ম তৈরি করেছিলেন, যাঁরা সকালে ঘোড়ার পিঠে মঙ্গোলদের বিরুদ্ধে লড়তেন, আর রাতে কায়রোর কোনো মাদ্রাসায় বসে সহিহ বুখারির সনদ বিশ্লেষণ করতেন।