
বিশ্বকাপে না খেললে কেমন আর্থিক ক্ষতি হবে বাংলাদেশের
বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মূল আয়ের উৎস আইসিসি। ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক এ সংস্থার আয়ের ভাগ পায় বিসিবি।

বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মূল আয়ের উৎস আইসিসি। ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক এ সংস্থার আয়ের ভাগ পায় বিসিবি।

বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারতে না খেলার বিষয়ে অটল অবস্থানের কথা জানিয়ে গতকাল আবারও আইসিসি বরাবর ই-মেইল করেছে বিসিবি।

দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৩৯ রানে হারানোর পথে হ্যাটট্রিক করেন আফগান স্পিনার মুজিব উর রহমান।

প্রায় তিন সপ্তাহের নাটকীয় ঘটনাপ্রবাহের পর এখন শেষ অঙ্ক—হয় ভারতেই খেলতে হবে, নয়তো বাংলাদেশের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপেই খেলা হবে না। একনজরে দেখে নিন কবে কী ঘটেছিল।

বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে বিসিবিকে এক দিন সময় দিয়েছে আইসিসি।

আয়োজক দেশের ঘরোয়া রাজনীতির কারণে ক্রিকেটের শ্বাসরোধ হয়ে মরার দশা হচ্ছে কি না। প্রশ্ন উঠছে, ক্রিকেটের রাজনীতিকীকরণ করতে গিয়ে ভারত কি নিজের পায়েই কুড়াল মারছে?

টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে। গ্রুপ ‘সি’তে বাংলাদেশের সঙ্গে আছে ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নেপাল ও ইতালি।

টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়া দলগুলোর মধ্যে স্কটল্যান্ডই সর্বোচ্চ র্যাংঙ্কিংধারী।

(বিসিবি) নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতে খেলবে না জানিয়ে ম্যাচগুলো টুর্নামেন্টের আরেক আয়োজক শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেছিল আইসিসিকে।

বিভিন্ন দেশের স্কোয়াডে থাকা ৪২ জন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার ও কর্মকর্তাদের ভারতের ভিসা নিশ্চিত করতে কাজ করছে আইসিসি।

টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ডের সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায়। অন্যদিকে বাংলাদেশের ম্যাচ ভারতে হওয়ার কথা থাকলেও নিরাপত্তাশঙ্কায় বিসিবি সেগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নিতে চায়।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি বলেছে, টুর্নামেন্টের সূচি এরই মধ্যে ঘোষিত হয়ে যাওয়ায় বিসিবিকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করেছে আইসিসি। তবে বিসিবি অবস্থান বদলায়নি।