
একের পর এক রহস্যময় আগুন মিরসরাইয়ের এক গ্রামে,আতঙ্কে রাত জেগে পাহারা
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে হিন্দু পাড়ায় একের পর আগুন

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে হিন্দু পাড়ায় একের পর আগুন

চট্টগ্রামের রাউজানে ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী ইলিয়াছ নুরীর প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় প্রার্থীর কয়েকজন নেতা-কর্মীকেও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে দলটি। আজ শনিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে উপজেলার বিনাজুরী ইউনিয়নের কাগতিয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

ঝিরির পাশে খেলতে গিয়েছিল দুই শিশু। হঠাৎ তাদের চোখে পড়ে পরিত্যক্ত শপিং ব্যাগ। গিয়ে খুলতেই বেরিয়ে এল দুটি সাউন্ড গ্রেনেড। এরপর এসব তারা নিয়ে যায় নিকটস্থ পুলিশ বক্সে। পরে খোঁজ নিয়ে জানা গেল, ৫ আগস্টের পর এসব কোনো এক থানা থেকে লুট হয়েছে। কারণ, এসব গ্রেনেড উচ্ছৃঙ্খল জনতাকে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহার করে পুলিশ।

‘আগের নির্বাচনে সশরীর ভোট দিয়েছিলাম। এরপর দেশের বাইরে চলে আসি। বাইরে আসার পর ভোট দিতে পারব ভাবিনি।

কাকে দেব, ঠিক করিনি।’ সামিউল আলম আর মো. মুমিনও তাঁর সঙ্গে সায় দিলেন। তাঁদের মতে, এবারের নির্বাচনে এখনো উত্তাপ নেই। ভোটের যে জমজমাট পরিবেশ থাকার কথা, সেটা দেখেছেন না তাঁরা।

১০ বছর বয়স থেকেই টিফিনের টাকা জমিয়ে চারা কিনতেন তিনি। প্রথমে এসব চারা নিজের বাড়িতে লাগাতেন। এতে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই গাছ লাগানোর জায়গা শেষ হয় তাঁর। এরপর প্রতিবেশীদের চারা কিনে দেওয়া শুরু করেন। এভাবে একে একে পুরো গ্রাম, উপজেলাজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় চারা বিলিয়েছেন তিনি।

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘স্বাধীনতার পর গত ৫৪ বছরে যারা দেশ শাসন করেছে, ...তারা জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি; বরং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ধ্বংস ও জনগণের অধিকার হরণ করেছে।’

চট্টগ্রামে এবারের নির্বাচনে গতবারের তুলনায় ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা কমেছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের ১৬ আসনের ১ হাজার ৯৬৫টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রচার-প্রচারণায় মুখর সারা দেশ। তবে ভোটের আমেজ নেই চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ ও নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের সীমান্তবর্তী দ্বীপ উড়িরচরের উত্তর ও পশ্চিম অংশে।

দুপুর সাড়ে ১২টা। কর্ণফুলী নদীতে একে একে লাইটার জাহাজের কাগজপত্র যাচাই করছিলেন বন্দরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া আফরিন। বন্দরের দিশারী-৬ নামের পাইলট জাহাজে চড়ে অভিযান পরিচালনা করছিলেন তিনি। আজ বৃহস্পতিবার সরেজমিন এ চিত্র দেখা যায়।

আইফোন ও মোটরসাইকেল কিনতে চেয়েছিলেন কলেজছাত্র। এ কারণে সাজান অপহরণের ‘নাটক’। কলেজে যাওয়ার কথা বলে নিজেই চলে যান আত্মগোপনে। এরপর বাবার কাছে চান পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ। রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।

চট্টগ্রামের রাউজানে গর্তে শিশুর মৃত্যু, ছেলের জন্য মা–বাবার আহাজারি