
হরমুজ সংকটের মধ্যে দিনে ১৪ কোটি ডলারের তেল বিক্রি করছে ইরান, যুদ্ধের মধ্যেও বেড়েছে আয়
যুদ্ধের মধ্যেই জ্বালানি তেল বিক্রি থেকে কয়েক শ কোটি ডলার অতিরিক্ত আয় করছে ইরান।

যুদ্ধের মধ্যেই জ্বালানি তেল বিক্রি থেকে কয়েক শ কোটি ডলার অতিরিক্ত আয় করছে ইরান।

আগামী ১১ জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ২০২৬ বিশ্বকাপের মাত্র কয়েক মাস আগে এই নাটকীয় সিদ্ধান্ত নিল ইরান।

এ পর্যন্ত ইরানে ৩২ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

পবিত্র ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবসের টানা ছুটিতে পাহাড়ি জেলা বান্দরবানে পর্যটকের ঢল নেমেছে। তবে সে তুলনায় সরবরাহ না থাকায় জেলাজুড়ে জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে।

আজ শুক্রবার সকাল ৯টা ৪৪ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বাংলা ও ইংরেজিতে দেওয়া এক পোস্টে শফিকুর রহমান এই আহ্বান জানান।

ইউক্রেন থেকে সরিয়ে নেওয়া হতে পারে এমন অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ন্যাটোর একটি কর্মসূচির আওতায় ফরমাশ দেওয়া আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা।

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে মোতায়েন মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডকে গ্রিসের একটি দ্বীপের বন্দরে নেওয়া হয়েছে। আগুন লাগা ছাড়াও জাহাজটিতে আরও গভীর সমস্যা রয়েছে।

ইরান ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া এই যুদ্ধ বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে এমন এক অস্থিরতা তৈরি করেছে, যা সাময়িক ধাক্কা বলে উড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই।

গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালায়। তারপর থেকে ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ সংশয়ের মুখে পড়েছে।

ইরানের রাজধানী তেহরানে বিমান হামলায় প্রয়াত চলচ্চিত্রকার আব্বাস কিয়ারোস্তামির বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জ্বালানির দাম বাড়ানো হলে পরিবহন ব্যয় বাড়বে, উৎপাদন খরচ বাড়বে। এর চাপ পড়বে পুরো অর্থনীতিতে।

ড্রোন বা ড্রোনের ঝাঁক ধ্বংস করতেই এসব যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা হচ্ছে।