
জামায়াত আমিরের নামে ভুয়া ফটোকার্ড
ভোটের মাঠে প্রচারের সঙ্গে অপপ্রচারও বেড়ে চলেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এই অপপ্রচারের লক্ষ্যবস্তু হচ্ছেন রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা।

ভোটের মাঠে প্রচারের সঙ্গে অপপ্রচারও বেড়ে চলেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এই অপপ্রচারের লক্ষ্যবস্তু হচ্ছেন রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা।

এ আসনে প্রার্থী ৮ জন। ব্যানার–ফেস্টুন–বিলবোর্ডের প্রচারে এগিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের দুই প্রার্থী।

নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না দুই আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) ও ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)। এই অঞ্চলের পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ওপর এই দুটি দলের প্রভাব রয়েছে।

বহুল কাঙ্ক্ষিত ও প্রত্যাশিত জাতীয় নির্বাচনের আর এক সপ্তাহও নেই। নির্বাচনে অংশ নেওয়া সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনী প্রচারণায় অতি ব্যস্ত সময় পার করছে।

সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-২ আসন সবচেয়ে বেশি ভোটারের আসন। ভোটার আছেন আট লাখ সাড়ে চার হাজারের কাছাকাছি। তাঁদের অর্ধেকের বেশি নারী।

শুক্রবার রাত আটটার দিকে লালপুর উপজেলার কচুয়া বাজারে এই ঘটনা ঘটে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর নেতারা জান্নাত বিক্রি করে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করছেন। জান্নাতের মালিক তো মহান আল্লাহ। জান্নাতে কে যাবেন, কে যাবেন না—তা নির্ধারণ আল্লাহর হাতে। তাহলে জামায়াতকে জান্নাত বিক্রির ঠিকাদারি কে দিল।’

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘একটা ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে আগামী ১২ তারিখ আমাদের মুক্তির হাতছানি দিচ্ছে। ৫৪ বছরে যাঁরা রাজনীতি করেছেন, অনেকেই চেষ্টা করেছেন। আমরা কারও আন্তরিকতার ওপর কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করতে চাই না।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, ‘আল্লাহ যদি কামিয়াব করেন, আমরা ১৮ কোটি মানুষের মুখে হাসি ফোটাব। দুর্নীতি যখন থাকবে না, তখন সকল মানুষের মুখে হাসি ফুটবে।’

১০ উপজেলার দুটি পৌরসভা ও ৫০টি ইউনিয়ন মিলে এ আসন গঠন করা হয়েছে। এতে মোট ভোটার রয়েছেন ৫ লাখ ৯ হাজার ২৬৭ জন।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘কেউ যদি পেশিশক্তি ব্যবহার করে ভোটকেন্দ্র দখল করতে আসে, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের শক্ত হাতে প্রতিহত করতে হবে। ভয় দেখিয়ে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার দিন শেষ।’

জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে বাংলাদেশে চলছে একটি উৎসবের আমেজ। বিশেষ করে ছোট ছোট চায়ের দোকানে ঢুকলে নির্বাচনের আমেজ যে এখন সাধারণ মানুষের চিন্তাজগতের পুরোটা জুড়ে আছে, সেটা বেশ ভালোভাবেই বোঝা যায়।