
ব্রাজিলের ৬ গোলের উৎসব
ব্রাজিলের ৬ গোলের উৎসব

ব্রাজিলের ৬ গোলের উৎসব

ম্যাচ শেষে কোচ আনচেলত্তি উচ্ছ্বাস ও সংশয় দুটিই প্রকাশ করে বলেন, ‘ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধ আমার মাথায় আরও বেশি সংশয় তৈরি করেছে।’

২০১০ বিশ্বকাপের এই গল্পে আছে এক সাংবাদিক, এক গোলকিপার আর বিশ্বকাপে তাঁদের সমালোচিত থেকে বিখ্যাত হয়ে ওঠার ঘটনা।

ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এই আসরেই টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গোল্ডেন বল জিতেছিলেন এমন একজন, যাঁর দল প্রথম তিনেই থাকতে পারেনি।

ফাইনালে জিনেদিন জিদান ইতালির মার্কো মাতেরাজ্জির করা অপমান সহ্য করতে না পেরে মাথা দিয়ে একটি ঢুস দিয়েছিলেন। সেটি ছিল ২০০৬ বিশ্বকাপের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা।

২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ড টি-টুয়েন্টি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আম্পায়ারিং অভিষেক হয় সাথিরার।

১৭ মে সান্তোস–কুরিতিবা ম্যাচে ডান পায়ের কাফ মাসলে চোট পান নেইমার। এর পর থেকে মাঠের বাইরে আছেন এই ফরোয়ার্ড।

১৬ গোল করে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড এখন মিরোস্লাভ ক্লোসার। এবার সেই রেকর্ড ভাঙার সুযোগ মেসি ও এমবাপ্পের সামনে।

২০২৬ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কোচ মরিসিও পচেত্তিনো। ২৬ জনের মধ্যে ১৩ জনই ২০২২ বিশ্বকাপে খেলেছেন।

বিশ্বকাপের জন্য ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কো। দলে জায়গা হারিয়েছেন বেশ কজন তারকা ফুটবলার।

১৯৯৮ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের জয়ের পেছনে ভাগ্যের ছোঁয়া কিংবা রেফারির কৃপাদৃষ্টি—কোনো কিছুরই বিন্দুমাত্র ভূমিকা ছিল না। বরং পুরো টুর্নামেন্টে ৩টি লাল কার্ড দেখতে হয়েছিল তাদের।

ইন্টার মায়ামির বড় জয়ের ম্যাচে অস্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়ে মেসি। ম্যাচের ৭৩ মিনিটে মেসির বেরিয়ে যাওয়া ভয় ধরিয়ে দেয় আর্জেন্টাইন সমর্থকদের মনে।