
জামায়াত আসলে জিতেছে, না হেরেছে
বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হলো। বিচ্ছিন্ন কিছু সহিংসতা আর কয়েকটি দুঃখজনক মৃত্যুর ঘটনাকে বাদ দিলে সামগ্রিক চিত্র তুলনামূলকভাবে শান্তিপূর্ণ।

বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হলো। বিচ্ছিন্ন কিছু সহিংসতা আর কয়েকটি দুঃখজনক মৃত্যুর ঘটনাকে বাদ দিলে সামগ্রিক চিত্র তুলনামূলকভাবে শান্তিপূর্ণ।

ঢাকা-৭ আসনের ভোট গণনায় ব্যাপক কারচুপি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. এনায়াত উল্লা।

বিএনপির ‘দুর্গ’খ্যাত ঝিনাইদহের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতেই জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। শুধু ঝিনাইদহ–১ (শৈলকুপা) আসনে বিএনপি নেতা সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জয়ী হয়েছেন।

একটি আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদাকে হারিয়ে দিয়েছেন বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান। স্বতন্ত্র পরিচয়ে তিনি হাঁস প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছেন।

কক্সবাজারের চারটি সংসদীয় আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা জয় হয়েছেন। আজ শুক্রবার ভোরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান এসব আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে নির্বাচন পরবর্তী ভাবনা জানিয়েছেন তাসনিম জারা।

আলোচনায় তুঙ্গে, ব্যালটে ভিন্ন চিত্র

তারেক রহমানকে অভিনন্দন মোদির

ঢাকা-১৫: জামায়াতের আমির শফিকুর জয়ী

ঢাকা-৯ আসনে জয়ী বিএনপির হাবিবুর রশিদ

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৫৫ হাজার ৮৬৭ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন বিএনপির প্রার্থী সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া।

বিএনপির প্রার্থীর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের খুলনা মহানগর আমির মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৬ হাজার ১০ ভোট।