
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদীতে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদীতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে সদর উপজেলার বাখের আলী গ্রামসংলগ্ন নদীতে এ ঘটনা ঘটে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদীতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে সদর উপজেলার বাখের আলী গ্রামসংলগ্ন নদীতে এ ঘটনা ঘটে।

কুমিল্লার লাকসামে খেলার সময় পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় লাকসাম পৌরসভার গন্ডামারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সিসিটিভি ফুটেজে খেলার মধ্যে অসাবধানতায় তারা পানিতে পড়ে যায়।

রাজধানীর হাসপাতালে নিউমোনিয়ায় শিশুর মৃত্যু, আইসিইউ সংকট আর ঠান্ডাজনিত রোগে বাড়ছে শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের লক্ষণ নিয়ে ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিট থেকে রাত সাড়ে ১০টার মধ্যে তাদের মৃত্যু হয়।

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার ভাওয়াল গ্রামে রোববার সকালে লিচু খেতে গিয়ে গলায় বিচি আটকে ৭ বছরের ঋত্বিক সাহার মৃত্যু হয়। পরিবার তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়, কিন্তু পৌঁছানোর আগেই শিশুটি মারা যায়। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ঘটনা নিশ্চিত করেছেন।

ত্রিশের বেশি শিশু ছিল সেখানে। তাদের যে কারও বিপদ হতে পারত চোখের নিমেষেই। বীরের রূপে এগিয়ে এসে শিশুদের প্রাণ বাঁচাল স্থানীয় এক পথকুকুর।

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে সোমবার রাতে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

একসঙ্গে খেলতে বেরিয়েছিল দুই ভাই-বোন। দীর্ঘ সময় বাড়িতে না ফেরায় শুরু হয় খোঁজাখুঁজি। শেষ পর্যন্ত বাড়ির পাশের পুকুরে ভাসতে দেখা যায় তাদের লাশ।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে বের হলেন যমজ সন্তানের মা-বাবা। এক সন্তান মৃত, অন্যজনের হাম সারেনি। রাইসা ও রুমাইসা নামের দুই যমজ সন্তান দুজনেই হামে আক্রান্ত ছিল।

দেশে রোববার সকাল আটটা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে সাত শিশু এবং হামে আক্রান্ত হয়ে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৩৪৪ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামে আক্রান্ত আরও এক শিশু মারা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ দিনে এই হাসপাতালে হামে আক্রান্ত তিন শিশুর মৃত্যু হলো।

গত ২৪ ঘণ্টায় হামে ২ ও সন্দেহজনক হামে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ঢাকায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।