
ময়মনসিংহ কারাগার থেকে ‘ভুলবশত’ মুক্তি পাওয়া ৩ আসামিকে আবার গ্রেপ্তার
ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ‘ভুলবশত’ মুক্তি পাওয়া হত্যা মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৪। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ‘ভুলবশত’ মুক্তি পাওয়া হত্যা মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৪। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

ময়মনসিংহের কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ‘ভুলবশত’ হত্যা মামলার তিন আসামিকে মুক্তি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কারাগারের এক ডেপুটি জেলারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

জামিনে মুক্তি পেয়ে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা জুয়েল হাসান (সাদ্দাম) বাগেরহাটের জেলারের বিরুদ্ধে ‘ঘুষ চাওয়ার’ অভিযোগ তুলেছেন।

বিজয়ের শেষ চলচ্চিত্র হিসেবে আলোচনায় থাকা ‘জন নায়াগান’ ৯ জানুয়ারি মুক্তির কথা ছিল; কিন্তু সেন্সর সার্টিফিকেশন পেতে দেরি হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে মুক্তি পায়নি ছবিটি।

ছাত্রলীগ নেতা কেন প্যারোলে মুক্তি পেলেন না

স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যুর পরও সাদ্দামকে কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি না দেওয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সবখানে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তবে যশোরের জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাদ্দামের প্যারোলের জন্য কোনো আবেদনই করা হয়নি।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণ-অভ্যুত্থানের শক্তিকে রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত করার নতুন পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের এই সম্মেলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আজ স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাচ্ছে ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’ ও ‘সুলতানা’স ড্রিম’। প্রথমটি ঢাকার ছবি, পরেরটি রোকেয়ার ফ্যান্টাসি অবলম্বনে স্প্যানিশ সিনেমা।

মাদুরোর সস্ত্রীক মুক্তি ও ট্রাম্পের বিচারের দাবি জানিয়েছে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি।

রাজশাহীর গোদাগাড়ীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান ওই সাজা দেন। জহুরুল ইসলামের বাড়ি উপজেলার জাহানাবাদ গ্রামে। আগে মাদকসহ গ্রেপ্তার হয়ে তিনি জেলে ছিলেন।

যানজটে নাকাল রাজধানী শহরের রাস্তাঘাট ভালো থাকলে নগরবাসী কিছুটা স্বস্তিতে চলাচল করতে পারেন।

এভাবে ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ গড়ে ওঠে পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক চৈতন্যের বনিয়াদে। দেশ-কালের বিশেষ পরিস্থিতি মোকাবিলা করে সে আয় করে নেয় তেজোদ্দীপ্ত উচ্চারণভঙ্গি। তৎসম শব্দ, স্বর ও ব্যঞ্জনের সুরেলা বিন্যাস আর সামষ্টিক জনতার কোরাসসম উচ্চারণে নিষ্পন্ন হয় তার নান্দনিক বিশিষ্টতা। উত্থিত জনতার লিপ্ত আবেশে গড়া যুগের সবল অভিব্যক্তি থেকে সে শুষে নেয় মুক্তির প্রকল্প। যুগসত্য থেকে ছেনে নেওয়া বলেই মুক্তির এ বার্তা এত তীব্র, কার্যকর আর সামঞ্জস্যপূর্ণ। শতবর্ষে এসে নিশ্চিন্তে বলা যায়, বাংলাভাষীরা আরও বহুকাল ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ নিত্য বর্তমান শিল্পকর্ম হিসেবে ব্যবহার ও ভোগ করতে থাকবে।