
চুক্তি না হলে ইরানের জন্য ‘খুব খারাপ সময়’ অপেক্ষা করছে: ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি না হলে খারাপ সময় আসতে পারে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি না হলে খারাপ সময় আসতে পারে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

ইরানের ওপর দুই সপ্তাহের হামলা স্থগিতের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়ই নিজেদের বিজয় দাবি করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এটাকে ‘পূর্ণাঙ্গ বিজয়’ বলেছেন, যখন ইরান তাদের ১০ দফা প্রস্তাব গ্রহণ করানোর কৃতিত্ব নিয়েছে। ‘আমরা ৩৮ দিনের মধ্যে আমাদের মূল সামরিক লক্ষ্যগুলো অর্জন করেছি।’

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যোগ না দেওয়ায় সৌদি আরবের তীব্র সমালোচনা করেছেন মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধ করলে ইসরায়েলও হামলা বন্ধ করবে। টাইম সাময়িকীকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানের চাপ স্বীকার করেন এবং নেতানিয়াহুর নির্ভরশীলতা তুলে ধরেন। যুদ্ধের কৌশল ও এআই ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প।

ইরাক চেষ্টা করছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখতে।

সৌদি যুবরাজের সঙ্গে আলাপকালে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্রের হামলার হুমকির কড়া সমালোচনা করেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন নৌবাহিনীর সাবমেরিন থেকে ছোড়া টর্পেডোর আঘাতে কোনো যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস হলো।

ইরানের আইআরজিসি মধ্যপ্রাচ্যে গুগল, মেটা, অ্যাপলসহ ১৮টির বেশি মার্কিন প্রযুক্তি ও অ্যারোস্পেস প্রতিষ্ঠানে হামলার হুমকি দিয়েছে। ১ এপ্রিল রাত ৮টা থেকে হামলা শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রযুক্তি ইরানের নেতাদের গুপ্তহত্যায় সহায়তা করছে বলে অভিযোগ।

ইরান যুদ্ধকালে মধ্যপ্রাচ্যের স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ বন্ধ করেছে মার্কিন কোম্পানি প্ল্যানেট ল্যাবস। ট্রাম্প প্রশাসনের অনুরোধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যাতে প্রতিপক্ষ হামলা না চালাতে পারে। নাসার সাবেক বিজ্ঞানী ২০১০ সালে কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা করেন।

ইসরায়েল ও মার্কিন হামলার চাপে ইরান এনপিটি ছাড়ার প্রস্তাব নিয়েছে। পারমাণবিক স্থাপনা, ইস্পাত কারখানা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা তীব্রতর হয়েছে। দেশে ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন, থমথমে পরিস্থিতি চলছে।

প্রতি চার মার্কিন নাগরিকের একজন মনে করেন, গত এপ্রিলে ট্রাম্পের ওপর হত্যাচেষ্টার ঘটনা সাজানো ছিল। নিউজগার্ডের জরিপে রাজনৈতিক বিভাজন স্পষ্ট হয়েছে, ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে এই বিশ্বাস বেশি। অন্যান্য হামলাগুলো নিয়েও অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আগ্রাসনের প্রথম ১০০ ঘণ্টাতেই ওয়াশিংটনের আনুমানিক খরচ হয়েছে ৩৭০ কোটি মার্কিন ডলার।