
গুমের ঘটনায় ঊর্ধ্বতনদের দায় এড়ানোর সুযোগ নেই
আওয়ামী লীগ শাসনামলের গুমের ঘটনা নিয়ে অনেক কর্মকর্তা তাঁদের অগোচরে এসব ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করলেও গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন বলেছে, এসব ঘটনায় দায়িত্বশীলদের দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।

আওয়ামী লীগ শাসনামলের গুমের ঘটনা নিয়ে অনেক কর্মকর্তা তাঁদের অগোচরে এসব ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করলেও গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন বলেছে, এসব ঘটনায় দায়িত্বশীলদের দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।

ঢাকা কলেজের ছাত্র মেহেদী হাসান জুলাই অভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার জবানবন্দি দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।

মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৫ জনকে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ১১ জনই পলাতক, কারাগারে বন্দী আছেন ৪ জন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক কমিশনারের নির্দেশে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন দমনে চায়না রাইফেল ব্যবহারের অভিযোগ।

এই মামলার আসামি জয় পলাতক। অপর আসামি পলককে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

গুম থাকার সময় তাঁর ব্যাপারে সব সিদ্ধান্ত সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে আসত বলে দাবি আরমানের।

আইসিটি-১-এ জবানবন্দিতে নাজিম উদ্দিন বলেন, ডিজিএফআইয়ের জেআইসি সেলে গুম অবস্থায় জীবনী লিখতে সময় না মানলে ঘুমাতে দেওয়া হতো না। ২০১৬ সালে মিরপুর থেকে তুলে নিয়ে জেআইসিতে রাখা হয় তাঁকে। মামলায় ৩ জন সাবজেলে, ১০ জন পলাতক।

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, মব জনগণের প্রতিক্রিয়া। সেটা সাধারণ অপরাধের মধ্যে পড়লে সে অনুযায়ী বিচার হবে।

২০১৩ সালে হেফাজতের সমাবেশকে কেন্দ্র করে ৫৭ জন নিহতের তথ্য মিলেছে।

এই মামলার ২৮ আসামির মধ্যে জাহাঙ্গীর কবির নানক, শেখ ফজলে নূর তাপসসহ ২৪ জন পলাতক।

ওবায়দুল কাদেরদের বিরুদ্ধে মামলায় শহীদ হাদির জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

একটি মামলায় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির জবানবন্দি।