
ব্রাজিল–আর্জেন্টিনার নকআউটে প্রতিপক্ষ কারা, ম্যাচগুলো কবে
ব্রাজিল–আর্জেন্টিনার পথটা কী রকম? কীভাবে বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছতে পারে দুই দল?

ব্রাজিল–আর্জেন্টিনার পথটা কী রকম? কীভাবে বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছতে পারে দুই দল?

বিশ্বকাপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের ভেন্যুটি এখন প্রশ্নের মুখে। মাঠের মান নিয়ে প্রকাশ্যেই অসন্তোষ জানিয়েছেন ব্রাজিল ও ফ্রান্সের খেলোয়াড়–কোচরা।

আজ ডাম্বুলায় ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ভারত ‘এ’ দলের হয়ে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের বিপক্ষে এই রেকর্ড গড়েছেন সূর্যবংশী।

বিশ্বকাপে একবারই দেখা হয়েছে দুদলের। মস্কোতে ২০১৮ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে গড়ানো সেই ম্যাচটি ২-১ গোলে জিতে ফাইনালে ওঠে ক্রোয়াটরা।

৬’ সংখ্যাটার সঙ্গে পর্তুগালের একটা অদ্ভুত সংযোগ আছে। ১৯৬৬ বিশ্বকাপে ইউসেবিওর পর্তুগাল তাদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সেমিফাইনালে উঠেছিল, শেষ পর্যন্ত হয়েছিল তৃতীয়।

২০২২ বিশ্বকাপ ফাইনালে যেখানে শেষ করেছিলেন, সেখান থেকেই যেন শুরুটা করলেন এমবাপ্পে। করলেন জোড়া গোল।

এবারের ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে যে দলই ট্রফি জিতুক না কেন, তাদের গলায় মেডেল পরিয়ে দেবেন কাতার এয়ারওয়েজের কেবিন ক্রুরা। উপসাগরীয় অঞ্চলের এই বিমান সংস্থার সঙ্গে ফিফার সর্বোচ্চ স্তরের অংশীদারত্ব চুক্তি রয়েছে। এর আগে ২০১৮ সালের রাশিয়া এবং ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপেও একই দৃশ্য দেখা গিয়েছিল।

মরক্কোর সর্বশেষ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে ওঠাটা যে কোনো অঘটন ছিল না, মরক্কো গত চার বছরে তা প্রমাণ করেছে।

এবারের বিশ্বকাপের যে নকআউট কাঠামো, তাতে কেউ পা পিছলে না পড়লে আবারও ফাইনালে দেখা হতে পারে আর্জেন্টিনা–ফ্রান্সের।

আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল যদি নিজ নিজ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে এগোয়, তবে সেমিফাইনালের আগে তাদের দেখা হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা সদরের দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খুদে ফুটবলারদের জন্য এবারের যাত্রা যেন স্বপ্নপূরণের গল্প।

অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাস বলছে, আগামী ১৯ জুলাই বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনকে কাঁদিয়ে শিরোপা উঁচিয়ে ধরবে ফ্রান্স।