
স্থবিরতা কাটিয়ে অর্থনীতি গতিশীল হবে—এটাই আশা
নতুন বছরের প্রত্যাশা হলো, দেশে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা যেন থাকে। কারণ, স্থিতিশীলতা ছাড়া কোনো অর্থনীতি টেকসইভাবে এগোতে পারে না।

নতুন বছরের প্রত্যাশা হলো, দেশে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা যেন থাকে। কারণ, স্থিতিশীলতা ছাড়া কোনো অর্থনীতি টেকসইভাবে এগোতে পারে না।

চব্বিশের ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান–পরবর্তী সরকার নিয়ে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মনে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তা ছিল এককথায় আকাশচুম্বী। দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে যে অপ্রাপ্তি, বৈষম্য আর অন্যায়ের পাহাড় জমেছিল, সরকার পরিবর্তনের পর তার সবটুকুর প্রতিকার রাতারাতি হয়ে যাবে—মানুষ হয়তো এমনটাই মনে করেছিল।

এবি পার্টির মতে, নতুন বাজেট বিদ্যমান সংকট দীর্ঘায়িত করবে এবং জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

২০২০ সালের ডিসেম্বরে ‘সারা দেশের জন্য নিরাপদ পানি সরবরাহ’ প্রকল্পে অর্থায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ যখন তার প্রথম ৮,০০০ কোটি টাকার সার্বভৌম সুকুক ইস্যু করে, তখন তা বিশ্বের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতিতে ইসলামি অর্থায়নের এক উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

বাংলাদেশে বহু উন্নয়ন প্রকল্প বারবার এমন এক দুষ্টচক্রে আটকে পড়ে, যেখানে রাজনৈতিক প্রভাব, ঠিকাদারি সিন্ডিকেট, দুর্বল প্রশাসনিক নজরদারি এবং জবাবদিহির অভাব মিলেমিশে জনগণের প্রত্যাশাকে ব্যর্থ করে দেয়।

গণ-অভ্যুত্থান ও দীর্ঘ স্বৈরশাসনের অবসানের পর একটি নির্বাচিত সরকারের প্রথম বাজেট ঘিরে জনপ্রত্যাশা ছিল আকাশছোঁয়া। ১১ জুন জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছেন, যা গত অর্থবছরের চেয়ে ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি এবং দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড়।

ড. সেলিম রায়হান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সানেমের (সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং) নির্বাহী পরিচালক।

দীর্ঘ দুই দশক পর বড় স্বপ্ন ও মানুষের আকাশচুম্বী প্রত্যাশার চাপ মাথায় নিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে প্রথম বাজেট পেশ করল বিএনপির নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার।

কোনোভাবেই বাজেটে যেন কালোটাকা বৈধ করার অনৈতিক সুযোগটি আর ফিরে না আসে, সেই প্রত্যাশার কথা জানান টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান।

এটি নবনির্বাচিত সরকারের প্রথম বাজেট, ফলে বাজেট ঘিরে মানুষের প্রত্যাশাও তুলনামূলকভাবে বেশি।

ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আজ রোববার পল্লবীর আট বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যায় অভিযুক্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।

অভিষেকের পর থেকেই নেপোটিজম বিতর্ক, সমালোচনা ও প্রত্যাশার ভার—সবকিছুর সঙ্গেই তাঁকে পথ চলতে হয়েছে। কিন্তু এসবকে কখনোই বোঝা হিসেবে দেখেন না অনন্যা পাণ্ডে।