
তবু ঈদ আসে আনন্দের...
বছর বছর ঈদ আসে। ঈদ ধর্মীয় উৎসব। তবে ধর্মীয় তাৎপর্য ছাপিয়েও ঈদ উৎসবের প্রভাব জনজীবনের অনেক গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত। সে কারণেই ঈদে ইবাদত হয়, নামাজ হয়, কোলাকুলিও হয়।

বছর বছর ঈদ আসে। ঈদ ধর্মীয় উৎসব। তবে ধর্মীয় তাৎপর্য ছাপিয়েও ঈদ উৎসবের প্রভাব জনজীবনের অনেক গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত। সে কারণেই ঈদে ইবাদত হয়, নামাজ হয়, কোলাকুলিও হয়।

রমজানের শেষ দশকে এসে সেই ব্যস্ততা আরও বেড়েছে—বিশেষ করে ইফতার আয়োজন, তারাবিহ নামাজ ও লাইলাতুল কদরের ইবাদতকে ঘিরে।

নিয়মিত একটি নির্দিষ্ট মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়া বা নামাজের পর কুশল বিনিময় করা ‘কেউ নেই’ অনুভূতিটিকে ‘কেউ না কেউ চেনে’—এই স্বস্তিতে রূপ দেয়।

ইসলাম শ্রম ও শ্রমিকের মর্যাদা এবং অধিকার সম্পর্কে যথাযথ গুরুত্ব দিয়েছে। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে: ‘অতঃপর যখন নামাজ সম্পন্ন করা হবে, তখন তোমরা জমিনে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ করো, আশা করা যায় তোমরা সফল হবে।’ (সুরা-৬২ জুমুআহ, আয়াত: ১০)

ইফতারের পরপরই নেমে আসত এক নীরবতা, পুরো পাড়া মগ্ন হয়ে যেত নামাজ আর ইবাদতে।

হজরত উম্মে ছালামাহ (রা.) বর্ণনা করেছেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) তিনটি আমল জীবনে কখনো পরিত্যাগ করেননি—তাহাজ্জুদ নামাজ, প্রতি চান্দ্রমাসের তেরো, চৌদ্দ ও পনেরো তারিখ “আইয়ামে বিদ” এর রোজা পালন ও রমজানের শেষ দশক ইতিকাফ।’

কাতারসহ আরব দেশগুলোতে রমজানে মাগরিবের আজান হলে প্রথমে শুধু খেজুর ও পানি খাওয়া হয়। এরপর মাগরিবের নামাজ শেষে মূল ইফতার পর্ব শুরু হয়।

রমজানে দান-সদকা অন্যের রোজা, নামাজ ও জিকিরের সহায়ক হয়ে ওঠে; ফলে সাহায্যকারী ব্যক্তি পরোক্ষভাবে ঐ সব ইবাদতের অংশীদার হয়ে যায়।

নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত ইত্যাদিতে নারী–পুরুষ উভয়েরই সমান সুযোগ ও দায়িত্ব রয়েছে।

এই দিনে ফাতেমি সেনাপতি জওহর আল-সিকিল্লির তত্ত্বাবধানে নির্মিত আল-আজহার মসজিদে প্রথমবারের মতো জামাতে নামাজ এবং আজান অনুষ্ঠিত হয়।

এশার নামাজের পর থেকে ফজরের ওয়াক্তের আগপর্যন্ত তথা সাহ্রির শেষ সময় পর্যন্ত তারাবিহর নামাজ পড়া যায়। একসঙ্গে ২০ রাকাত পড়তে না পারলে আলাদাভাবেও পড়া যাবে।

অন্যদিকে পবিত্র রমজান মাসে দেশের সব মসজিদে একই পদ্ধতি অনুসরণ করে খতমে তারাবিহ নামাজ আদায়ের অনুরোধ জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।