
শান্তিচুক্তির খবরে তেলের বাজারে স্বস্তি
যুদ্ধ বন্ধ ও হরমুজ প্রণালি দিয়ে আবারও জাহাজ চলাচলের বিষয়ে চুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।

যুদ্ধ বন্ধ ও হরমুজ প্রণালি দিয়ে আবারও জাহাজ চলাচলের বিষয়ে চুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।

পাবনার বেড়া পৌর এলাকার মো. মাসুদ এক ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করছেন। যাতায়াতসহ সব মিলিয়ে মাসে প্রায় ২৭ হাজার টাকা আয় তাঁর।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে জেট ফুয়েলের দাম লিটারপ্রতি ২৪ টাকা ৭৯ পয়সা বেড়েছে। অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য নতুন দর ২২৭ টাকা ৮ পয়সা, যা আজ রাত ১২টা থেকে কার্যকর। বিইআরসি বিশ্ববাজারের মূল্যস্ফীতির কারণে এই সমন্বয় করেছে।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে ‘মূল্যস্ফীতি সেভাবে বৃদ্ধি পাবে না’ বলে দাবি করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী আবদুল মুক্তাদির।

রাতারাতি জ্বালানি তেল ও এলপিজি গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করায় জীবন-জীবিকায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

বৃষ্টি উপেক্ষা করেই জ্বালানি তেলের জন্য রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে সারিবদ্ধ হয়ে অপেক্ষা করেন চালকেরা। তবে আগের চেয়ে অপেক্ষার সময় কমে আসায় ভোগান্তি কিছুটা কমেছে।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম গত মাস থেকে কমছে। দেশে উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জ্বালানি তেল জেট ফুয়েলের দাম কমানো হয়েছে প্রতি লিটারে ১৫ টাকা ৬৭ পয়সা।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, জ্বালানির দাম নিয়ে শীঘ্রই সিদ্ধান্ত হবে এবং পুঁজিবাজারে বড় পরিবর্তন আসছে। তিনি মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে তেল-গ্যাস আমদানির চাপ এবং জ্বালানি নিরাপত্তার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। রেমিট্যান্স ও রপ্তানি বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় আশা প্রকাশ করেছেন।

বিশ্বব্যাংক আরও বলছে, উদীয়মান ও উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশের গড় মূল্যস্ফীতি চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে যেতে পারে।

ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও রুপির অবমূল্যায়নের প্রভাবে ভারতের শেয়ারবাজার থেকে বিদেশি বিনিয়োগ প্রত্যাহার অব্যাহত। টানা তিন মাস নিট বিক্রি করেছেন এফপিআইরা।

বাজারে বর্তমানে ১ লাখ ৭০ হাজার টন ভোজ্যতেলের মজুত রয়েছে। আর পাইপলাইনে আছে ৩ লাখ ৬০ হাজার টন। এ ছাড়া ঋণপত্র (এলসি) খোলার কাজও চলমান।

গত এক-দুই মাসে প্রায় সব পণ্যের দাম বেড়েছে। চলতি মাসে দুই দফায় এলপি গ্যাসের দাম বাড়ানো হলে বাড়তি চাপে পড়েন সীমিত আয়ের মানুষ।