
বকেয়া চেয়ে আবার আদানির চিঠি, নইলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী বরাবর পাঠানো চিঠিতে তারিখ লেখা ১৭ এপ্রিল। তবে চিঠিটি ১৯ এপ্রিল মন্ত্রণালয়ে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে দায়িত্বশীল সূত্র।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী বরাবর পাঠানো চিঠিতে তারিখ লেখা ১৭ এপ্রিল। তবে চিঠিটি ১৯ এপ্রিল মন্ত্রণালয়ে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে দায়িত্বশীল সূত্র।

বর্তমান সময়ে বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় করা প্রয়োজন বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকের দপ্তরের বিদ্যুৎ পরিদর্শক (নবম গ্রেড) পদের মৌখিক পরীক্ষা ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।

এলপিজি আমদানির অনুমতি চেয়ে ১০ জানুয়ারি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিবকে চিঠি দেন বিপিসির চেয়ারম্যান মো. আমিন উল আহসান।

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত বহুজাতিক কোম্পানির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদ সতর্ক করেছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উপদেষ্টা-বিশেষ সহকারীরা করপোরেট লবিস্ট হিসেবে কাজ করেছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। ক্যাবের গোলটেবিলে জ্বালানি সংকটের নীতিগত কারণ তুলে ধরেন।

লোডশেডিংয়ে শিল্পকারখানার উৎপাদনও ব্যাহত হচ্ছে। কারণ, জেনারেটরের জন্য পাম্প থেকে তেল মিলছে না। তেলের কারণে অনেক প্রতিষ্ঠানের পণ্য সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত উপস্থিতি এবং বিদ্যুৎ-জ্বালানি সাশ্রয়ে ১১ দফা নির্দেশ দিয়েছে। নির্দেশনাপত্রে এসি-এর তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি রাখা, অপ্রয়োজনীয় আলো বন্ধ করা ও পরিদর্শন দল গঠনের কথা বলা হয়েছে। এগুলো মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পূর্ববর্তী নির্দেশনার অনুসরণে জারি করা হয়েছে।

রমজান মাসে সব ধরনের আলোকসজ্জা পরিহার এবং ব্যক্তিগত যানবাহন ব্যবহার কমানোর অনুরাধ জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।

আমদানি করা জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অতি-নির্ভরশীলতা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি। বিকল্প জৈব জ্বালানি গ্রহণ করা কেবল পরিবেশগত সিদ্ধান্ত নয়, এটি বাংলাদেশের ‘জ্বালানি সার্বভৌমত্ব’ অর্জনের প্রধান হাতিয়ার।

বিদ্যুৎ–সংকটের কারণে দুটি কেন্দ্র বন্ধ, লোডশেডিং চলছে। মন্ত্রীর আশা, দুই দিনে অবস্থার উন্নতি হবে।

অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি, মানসম্মত শিক্ষা-স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা, বিনিয়োগ, জ্বালানিনিরাপত্তা ও প্রশাসনিক সংস্কারকে কেন্দ্র করে উন্নয়নের ১০ অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয়েছে।

জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পরিবেশগত প্রভাবকে সমান গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান।