
সব হারিয়েও হার মানিনি, তিন মেয়েকে নিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছি যেভাবে
২০২০ সালের করোনা মহামারি যেন আমাদের জীবনের সব হিসাব পাল্টে দিল, বলেন নাসরিন।

২০২০ সালের করোনা মহামারি যেন আমাদের জীবনের সব হিসাব পাল্টে দিল, বলেন নাসরিন।

জ্যাকসন হাইটসের ‘হাইটস’ শব্দটা না হয় জায়গাটা উঁচু বলে কিংবা ‘উঁচু তলার মানুষের’ আবাসিক এলাকা গড়ার পরিকল্পনা নিয়ে জায়গাটার উন্নয়ন ঘটানো হয়েছে বলে যোগ করা হয়েছে, জ্যাকসন’ এল কোত্থেকে?

জাপানে বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন নিয়ে লেখক তুলে ধরেছেন প্রবাসজীবনের নানা দিক। প্রবাসে থাকতে গিয়ে যেভাবে মাতৃভূমির স্মৃতি ও সংস্কৃতি জীবন্ত হয়ে ওঠে, তা গভীরভাবে ব্যক্ত করেছেন।

শুধু এক বছর আগের একটা ঘটনা বদলে দিয়েছে আমার জীবনের সমীকরণ। আমি অনেক বড় হয়ে গিয়েছি এই এক বছরে। দুঃখ ভুলে আবারও মনে হচ্ছে, হাসতে পারব আমি।

রাতের নীরবে মানুষ অদৃশ্য ভ্রমণে নিজের অতীতে ফিরে যায়। স্মৃতির দরজা খুলে জীবনের মুহূর্তগুলো ভেসে ওঠে, হারানো মানুষের স্মৃতি ছুঁয়ে যায়। এই যাত্রা কষ্ট দেয়, মুক্তি দেয়, নিজেকে নতুন করে চেনায়।

কান্নাকাটি করলেই বলতেন আমার মেয়ের মনোবলে এত কম হলে হবে? তারপর জীবনের কত চড়াই–উতরাই গেল। দুটো বাবু নিয়ে আলাদা জীবন যাপন শুরু করলাম। ফোনে শুধু শুনতাম, মা তুমি পারবে, আল্লাহর ওপর ভরসা রাখো, তোমার দায়িত্ব আমার নানুদের সুন্দর করে মানুষ করা।

জয়নুল আবেদিন আগেই অনুরোধ করে রেখেছিলেন মুস্তাফা মনোয়ারকে। তাই কলকাতা আর্ট কলেজে পড়া শেষ করার পরের বছরই ঢাকা আর্ট কলেজে যোগ দিলেন শিক্ষক হিসেবে।

চীনে পড়াশোনার অভিজ্ঞতা নিয়ে মাহবুবুল হাসানের লেখা। শুরুতে সংস্কৃতিগত পার্থক্য ও ক্যাশলেস সমাজে অভ্যস্ত হতে সমস্যা হয়েছিল। ক্লাসরুমে প্রশ্ন-বিতর্কে উৎসাহ দেওয়া হয়।

ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুরে ইলিশা নদীর তীরে গাছপালায় ঘেরা একটি বিচ্ছিন্ন বাড়ি। গাছপালার আড়াল পেরিয়ে ভেতরে গেলেই দেখা যায়, পলিথিনে মোড়া ছোট্ট একটি কুঁড়েঘর।

২৭ এপ্রিল ২০২৬। ভোরে ঘুম থেকে উঠে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম বহুল পরিকল্পিত সামার ভ্যাকেশন কাটাতে যাওয়ার জন্য—অন্য রকম একটা অনুভূতি নিয়ে। আমি, আমার মেয়ে ও তার মায়ের মুখে এক অন্য রকম আনন্দে বিমোহিত সুখ।

আর্জেন্টিনাজয়ী, ক্যানসাস সিটিতে ফুটবলপ্রেমীদের ঢেউ। অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে আর্জেন্টাইন সমর্থকদের ভিড়। মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়ার হার। খেলা শুরুর আগে আতশবাজি, উল্লাস। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ফুটবলভক্তদের মিলনমেলা।

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রথমবার সরাসরি অংশ নেন বাংলাদেশি-আমেরিকান ডিজে সঞ্জয় দেব।