
‘লোকে বলে’র নুসরাত ফারিয়া যেমন
গতকাল রাতে এসেছে নুসরাত ফারিয়ার নতুন গান ‘লোকে বলে’। গানটিতে আবেদনময়ী রূপে দেখা গেছে এই গায়িকা–অভিনেত্রীকে।

গতকাল রাতে এসেছে নুসরাত ফারিয়ার নতুন গান ‘লোকে বলে’। গানটিতে আবেদনময়ী রূপে দেখা গেছে এই গায়িকা–অভিনেত্রীকে।

নতুন গান ‘জেনিস এসটিএফইউ’ বিলবোর্ড হট ১০০–এর শীর্ষে ওঠার মধ্য দিয়ে ড্রেক ভেঙে দিলেন মাইকেল জ্যাকসনের দীর্ঘদিনের রেকর্ড।

২২ বছরের বিরতির পর ফিরছে হাবিব–কায়া জুটি। ২৭ মে হাবিব ওয়াহিদের ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাচ্ছে তাঁদের গান ‘কই রইলা রে’।

দলের সদস্যরা যেহেতু নাট্যকর্মী, তাই তাঁদের পরিবেশনায় স্বাভাবিকভাবেই থাকে নাট্যরস। স্থান, কাল ও পাত্রভেদে বুনে চলেন গল্প। ফলে একসঙ্গে গান, কবিতা ও অভিনয়ের স্বাদ পান দর্শক।

বিশেষ হয়ে উঠেছে দুই বাংলার দুই গুণী শিল্পীর উপস্থিতিতে। এ ধরনের আয়োজন শুধু গান শোনার নয়, এটি একে অন্যকে আরও ভালোভাবে জানার ও বোঝার সুন্দর সুযোগ।

আশা ভোসলের প্রয়াণে ব্যথিত সংগীত পরিচালক শেখ সাদী খান স্মৃতি তুলে ধরেছেন ‘কাল সারা রাত ছিল স্বপ্নেরও রাত’ গানের অজানা গল্প। ১৯৮৬-৮৭ সালে তাঁর সুরে আশা ভোসলে গান রেকর্ড করানোর স্মৃতিকথা শোনালেন তিনি। বাংলা সিনেমায় তাঁর গাওয়া কয়েকটি গানের তথ্যও প্রকাশ করেছেন।

প্রখ্যাত গায়িকা আশা ভোসলের মৃত্যুতে স্মৃতিচারণ করেছেন সাবিনা ইয়াসমীন। ঢাকা ও বোম্বের স্মৃতি তুলে ধরে বলেছেন, আশাজির নম্রতা ও বাঙালি খাবারের প্রতি ভালোবাসা তাঁকে মুগ্ধ করেছিল। তাঁর গান এখনো হৃদয়ে বেঁচে আছে।

৯২ বছর বয়সে মুম্বাই হাসপাতালে মারা গেলেন প্লেব্যাক গায়িকা আশা ভোসলে। আট দশকের ক্যারিয়ারে কুড়িটি ভাষায় ১২ হাজারের বেশি গান গেয়েছেন তিনি। নির্যাতন, আত্মহত্যার চেষ্টা সত্ত্বেও সংগীতের জোরে জীবনকে জয় করেছেন।

১৮ বছর পর জনপ্রিয় গান ‘বাজেরে বাজে ঢোল আর ঢাক’ নতুন সংগীতায়োজন, কণ্ঠ এবং ভিডিওতে ফিরছে। শওকত আলী ইমনসহ একাধিক কণ্ঠশিল্পী অংশ নিয়েছেন। ৯ এপ্রিল বাংলা নববর্ষে গানটি প্রকাশ পাবে।

‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ গানটিকেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের রণসংগীত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্রনির্বিশেষে এই গানকে আরাধ্য করেই মুক্তির পথে এগিয়ে যায় সমগ্র বাঙালি। এই গান স্বাধীন বাংলা বেতারের সূচনা সংগীত; জাতীয় স্লোগানও বটে।

এবারের পর্বে থাকছে বিশেষ চমকও। চন্দন সিনহার কণ্ঠে শোনা যাবে তিনটি নতুন গান। তাঁর গাওয়া দ্বৈত গানে কণ্ঠ দিয়েছেন দিলশাদ নাহার কনা ও আতিয়া আনিসা।

আবহমান গ্রামবাংলায় বিয়ের গানের ঐতিহ্য বহু পুরোনো। ঢোল, খোল, করতাল আর একতারা হাতে নিয়ে নারীরা দল বেঁধে গাইতেন বিয়ের গান।