
সরকার জাতীয় সংসদকে কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে কাজ করছে: চিফ হুইপ
আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে নুরুল ইসলাম বলেন, গণতন্ত্র, জবাবদিহি ও সুশাসনকে উপেক্ষা করে লুটপাটতন্ত্র কায়েম করা হয়েছিল বলে জানান চিফ হুইপ।

আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে নুরুল ইসলাম বলেন, গণতন্ত্র, জবাবদিহি ও সুশাসনকে উপেক্ষা করে লুটপাটতন্ত্র কায়েম করা হয়েছিল বলে জানান চিফ হুইপ।

নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে শক্তিশালী গণতন্ত্র চর্চার ভিত্তি রচনা শুরু হয়েছে বলে মনে করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য।

আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘যখন ৬ থেকে ৯ সুদহার নির্ধারণ করা হয়েছিল, তখন ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো তালি দিয়েছিল। অর্থ পাচারের সময়েও তারা চুপ ছিল। এমন আচরণ করলে গণতন্ত্র কখনো শক্তিশালী হয় না।’

আজকের বিশ্বরাজনীতি নিয়ে একটি প্রচলিত ধারণা বেশ জোরালো হয়ে উঠেছে। বলা হচ্ছে, বিশ্বজুড়ে যে রাজনৈতিক পরিবর্তন চলছে, তা মূলত বিশ্বায়ন ও উদার গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে মানুষের অসন্তোষের ফল।

প্রায় ২৫ বছর পর সেই ক্ষতির পরিমাপ করা এখন সহজ। এ হামলা মার্কিন বৈশ্বিক নেতৃত্বের পতনের সূচনা করেছিল। এটি আমাদের স্থায়ী ভয় ও জরুরি অবস্থার মধ্যে ঠেলে দিয়েছিল। এটিই পরবর্তী সময়ে আমাদের গণতন্ত্রের দ্রুত পতনকে ত্বরান্বিত করে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বাজেটের মডেলে পরিবর্তন করার চেষ্টা করেছি। আমরা অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ণের কথা বলেছি; যাতে সব মানুষ অর্থনীতিতে অংশ নিতে পারে।’

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী একটি রেজিমেন্টেড পলিটিক্যাল পার্টি। তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না।

অক্সফোর্ডে একটি বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা সভায় যোগ দিতে। তাঁদের নেতা, বর্তমানে সংসদ সদস্য, যিনি চব্বিশের জুলাই ছাত্র আন্দোলনের একজন শীর্ষ আহ্বায়ক। তাঁকে হেনস্তা করতে এসেছেন ক্ষমতাচ্যুত বিগত সরকারের লালিত কিছু ব্যক্তি, যাঁরা জুলাই আন্দোলনবিরোধী এবং তাই তাঁরা সে আন্দোলনের ব্যক্তিদের বিদেশের মাটিতে শায়েস্তা করবেন।

দীর্ঘদিন ধরে গণতন্ত্রহীনতা, গুম, খুন, অর্থ পাচার, দুর্নীতি, একদলীয় নির্বাচন ও সর্বত্র দলীয়করণের কারণে রাষ্ট্রে কোনো জবাবদিহি ছিল না বলে মন্তব্য করেন ড. কামাল হোসেন।

আজ শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটে জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স (স্বাধীনতা কমপ্লেক্স) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন মন্ত্রী। এ সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইসরাক হোসেন, চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

১৭ বছরের দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান, সহস্রাধিক প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদের বিদায়, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জাগরণ, আবারও প্রাণবন্ত সংসদ—সব মিলিয়ে এক নতুন দিনের যাত্রায় বাংলাদেশ।

মমতা এখনো জয় নিয়ে আশাবাদের কথা জানান। মন খারাপ না করে কর্মীদের লড়াই করতে আহ্বান জানান। অন্যদিকে রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এটিকে বাংলার মানুষের গণতন্ত্রের জয় বলে অভিহিত করেন।