
মোজতবা খামেনির শরীরে একাধিক অস্ত্রোপচার, লাগতে পারে কৃত্রিম অঙ্গ
ইরানের ক্ষমতা এখন ধর্মীয় নেতৃত্বের চেয়ে সেনাবাহিনীর দিকে বেশি হেলে পড়েছে।

ইরানের ক্ষমতা এখন ধর্মীয় নেতৃত্বের চেয়ে সেনাবাহিনীর দিকে বেশি হেলে পড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ৪০ দিনের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ শীর্ষ ছয় নেতার মৃত্যু নিশ্চিত। সামরিক, গোয়েন্দা ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বড় ধাক্কা খেয়েছে ইরান। দুই দেশ দাবি করেছে, ৫০-এর বেশি নেতা নিহত।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নিহত হওয়ার ঘটনায় পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়ায় ছিল কৌশলী অবস্থান।

সাম্প্রতিক সময়ে সর্বোচ্চ নেতৃত্বের উত্তরাধিকার প্রশ্নেও লারিজানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। মোজতবা খামেনিকে ক্ষমতায় আনার সম্ভাবনার বিরোধিতা করেছিলেন লারিজানি ও সাবেক প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি।

তালিকায় আছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, বদরুদ্দোজা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরী, মনমোহন সিং, পোপ ফ্রান্সিস ও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নাম।

ইরানি সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু এবং পাল্টাপাল্টি হামলার এই ডামাডোলে বড় এক প্রশ্নচিহ্ন ঝুলে গেছে আগামী জুনে হতে যাওয়া ফুটবল বিশ্বকাপের ওপর।

প্রশ্ন উঠেছে—আইআরজিসিকে অস্ত্র সমর্পণের আহ্বান জানিয়ে ট্রাম্পের বার্তা কেন বাস্তবে কোনো প্রভাব ফেলল না?

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে ইরানে ৪০ দিনের শোক এবং সাত দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ আরও কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে হত্যার আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে ঘনিষ্ঠ গোয়েন্দা তথ্য আদান–প্রদান হয়েছিল।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।

খামেনির রাজনৈতিক শক্তি টিকে আছে এমন এক আদর্শিক ভিত্তির ওপর, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধিতা একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান

ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক বিষয়ে একটি চুক্তি করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।