
আমি আর মারসো
এক ভাগ নিয়ে তোমরা কাড়াকাড়ি করো অর্ধেক আমি মারসোর সাথে প্রতিদিন মৃত্যুকে

এক ভাগ নিয়ে তোমরা কাড়াকাড়ি করো অর্ধেক আমি মারসোর সাথে প্রতিদিন মৃত্যুকে

রাত নামলে নিজেকে পিং করি ক্রমাগত, উত্তর আসে না, বৃষ্টি থেমে আছে শিরার ভেতর—যেন লেথের বিস্মৃতির জল।

হৃৎজলে বুনো হাঁসের সাঁতার— আকাশে রঙিন ঘুড়ি—

যাই যাই শীতে শুনি আজ বসন্তের আগমন ধ্বনি এই বুকে প্রেম—আলোদীপ্ত—দ্রিমিদ্রিমি প্রেমের সিম্ফনি!

শহরে শীত শীত বলে হাঁক দিয়ে যাচ্ছে ফেরিওয়ালা পয়সা থাকলে কনকনে কিছু শীত কিনে জমিয়ে রাখতাম

পড়ছো ডিলান টমাস। “এভরিম্যানস পোয়েট্রি”। সোয়ানসিতে যাচ্ছে বয়ে রিভার তাওয়ে।

চাটাই বিছিয়ে বই বেচছেন চিত্তরঞ্জন সাহা একুশের দিনভর: কী অবাক দুরূহ সেই গদ্যছবি

তুমি জগজ্জননী, দেবীচক্ষু, জেগে আছ ঘরের ঈশান কোণে, কঙ্কালের পাশে।

শিলাবৃষ্টির মতো ঝরে পড়ছে থলে–উপুড় কড়ি সামন্ত দম্ভোলে কাঁপে নারী ও শিল্পজিজ্ঞাসা!

পুরাতন বইয়ের মতো নিজেকে একনিশ্বাসে পড়তে পড়তে শেষ পৃষ্ঠায় এসে থমকে গিয়ে দেখি, আঙুলের ডগা থেকে উড়ে যাচ্ছে জ্বলন্ত অক্ষর...

চাঁদজ্বলা অপার্থিব রাত অর্থহীন, যদি না দুজনে থাকি জড়াজড়ি শর্তহীন।

ইচ্ছে করে উদ্যানের ছায়াবৃক্ষগুলি একে একে স্পর্শ করে দেখি অভ্যাসের বকুল কুড়াই