
১৯৭১: যে তিন কারণে তরুণেরা বিভ্রান্ত
২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান শুধু এক স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটায়নি, এই আন্দোলন আমাদের দেশের কতগুলো মৌলিক বিষয় ও চিন্তাধারাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে।

২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান শুধু এক স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটায়নি, এই আন্দোলন আমাদের দেশের কতগুলো মৌলিক বিষয় ও চিন্তাধারাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে।

প্রবাসী লেখক রহমান মৃধা তাঁর মায়ের জীবনী বর্ণনা করেছেন, যিনি ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতির জন্ম দেখেন এবং নয় সন্তানকে গড়ে তুলে বাংলার মায়ের শক্তি প্রমাণ করেন। ২০০৬ সালে সুইডেনের স্লাকায় ইন্তেকাল করেন তিনি। দূরপরবাসে মায়ের নীরব উপস্থিতি এবং ত্যাগের গল্প।

প্রিয় এসএসসি পরীক্ষার্থী, শুভেচ্ছা রইল। বাংলা ১ম পত্রের সহপাঠ ‘১৯৭১’ উপন্যাস থেকে একটি দরকারি বর্ণনামূলক প্রশ্ন দেওয়া হলো। তোমরা মনোযোগসহকারে পড়বে।

বাসন্তী মুখার্জির সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের কন্যা ও গবেষক শারমিন আহমদ। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে প্রবাসী সরকারের শপথ নেওয়ার দিবস উপলক্ষে সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হলো।

ধানমন্ডির বেঙ্গল শিল্পালয়ে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের গণহত্যা নিয়ে নির্মিত ‘সেই রাতের কথা বলতে এসেছি’ প্রামাণ্যচিত্রের ২৫ বছর পূর্তিতে বিশেষ প্রদর্শনী ও স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ হয়েছে। নির্মাতা কাওসার চৌধুরীসহ বিভিন্ন বক্তা নতুন প্রজন্মের কাছে ঘটনার সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার আহ্বান জানান। স্মারকগ্রন্থে কিউআর কোড যুক্ত রয়েছে যা স্ক্যান করে সবাই বিনামূল্যে চলচ্চিত্রটি দেখতে পারবেন।

১৯৭১ সালে কেমন ছিল ঢাকা মেডিকেলের পরিস্থিতি? হাসপাতালটির সেই সময়কার আবাসিক সার্জন ডা. শামসুদ্দিন আহমেদ জানালেন সেসব।

প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর নাম না নিয়ে দলটির রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি সংসদে তুলেছেন ঝালকাঠি-১ আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম (জামাল)।

এখন সকাল-বিকেল হাঁটতে হয়। কাজের কারণে সকালে না পারলে সন্ধ্যায় পুষিয়ে দিতে হয়।

বাংলাদেশের প্রতি ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দেন অজস্র বিদেশি লেখক-শিল্পী। লেখাটি তাঁদের নিয়েই।

মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তিনি বীর বিক্রম খেতাব পান।

‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ ও ‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’—অন্তর্বর্তী সরকারের করা এই সংজ্ঞাও বহাল থাকবে কি না, তা নিয়ে এখন আবার আলোচনা শুরু হয়েছে।

একাত্তরে শরণার্থীশিবিরে হিন্দু-মুসলিম শরণার্থীরা ধর্মীয় ভেদাভেদ ভুলে একে অপরের উৎসবে অংশ হতেন এবং একত্রে থাকার প্রত্যয়ে ছিলেন।