
হিজবুল্লাহকে ইরানের সমর্থন, অনিশ্চয়তার মুখে অস্ত্রবিরতি চুক্তি
হিজবুল্লাহকে ইরানের সমর্থনে অনিশ্চয়তার মুখে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি।

হিজবুল্লাহকে ইরানের সমর্থনে অনিশ্চয়তার মুখে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি।

গতকাল হিজবুল্লাহর ১০০টির বেশি অবকাঠামো ও যোদ্ধাদের অবস্থানে হামলা চালানো হয়।

লেবাননজুড়ে নতুন করে বড় ধরনের বিমান হামলা শুরু করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক বাতিলের পর ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ লেবাননে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।

২০০৬ সালের হিজবুল্লাহ-ইসরায়েল যুদ্ধের অমীমাংসিত সমাপ্তি ঘটে। তবে সেই যুদ্ধ একটি দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনা তৈরি করে দিয়েছিল।

যুদ্ধবিরতির পর বৈরুতের দক্ষিণ উপকণ্ঠে ইসরায়েলি বিমান হামলায় হিজবুল্লাহর রেদওয়ান ফোর্সের কমান্ডার মালেক বালু নিহতের দাবি করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হামলার নির্দেশ দিয়েছেন নিশ্চিত করেছেন। হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে এখনো কোনো মন্তব্য নেই।

হিজবুল্লাহকে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে লেবানন সরকারের সক্ষমতা সীমিত

আগের মতো এখন আর হিজবুল্লাহ বৃহৎ পরিসরে যোদ্ধা মোতায়েনকে অগ্রাধিকার দেয় না। বরং তারা তাদের অধিকাংশ বাহিনী—বিশেষ করে পদাতিক ও অ-বিশেষায়িত ইউনিটগুলোকে—রিজার্ভ হিসেবে ধরে রাখতে পছন্দ করে। এর মাধ্যমে একদিকে নিজেদের ক্ষয়ক্ষতি কমানো যায়, অন্যদিকে শত্রুর গভীর অভ্যন্তরে আরও কার্যকর আঘাত হানার সুযোগ তৈরি হয়।

গত ২ মার্চ থেকে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হয়।

ইসরায়েলের সঙ্গে নতুন করে যুদ্ধে জড়িয়েছে হিজবুল্লাহ। সাইপ্রাসে যুক্তরাজ্যের ঘাঁটিতে ইরানের হামলা।

ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে স্বাক্ষরিত নিরাপত্তা চুক্তিটি হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের মূল সংঘাতের সমাধান করার পরিবর্তে উল্টো অচলাবস্থাকে আরও দীর্ঘায়িত করার ঝুঁকি তৈরি করেছে।

‘এমন পদক্ষেপ লেবাননকে শত্রু ইসরায়েলের হাতের পুতুলে পরিণত করবে।’