
২৮ জুন ডিএনসিসির ১,৯০৫ কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
আগামী ২৮ জুন জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে ডিএনসিসির ১,৯০৫ কেন্দ্রে শিশুদের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এ ছাড়া থাকবে আরও চার দিন অতিরিক্ত সেবা।

আগামী ২৮ জুন জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে ডিএনসিসির ১,৯০৫ কেন্দ্রে শিশুদের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এ ছাড়া থাকবে আরও চার দিন অতিরিক্ত সেবা।

আধুনিক ব্যবস্থাপনার সাফল্য সংকট মোকাবিলায় নয়, বরং সংকট প্রতিরোধে নিহিত। একটি কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা এমনভাবে পরিচালিত হয়

গত ২৭ মে রাজধানীর মগবাজারে আদ্দ্বীন হাসপাতালে একই দিনে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে।

হামের উপসর্গে ঢাকায় তিন, সিলেটে এক ও বরিশালে এক শিশু মারা গেছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, টিকা ব্যবস্থাপনায় অব্যবস্থাপনা নিয়ে তদন্তের সিদ্ধান্ত সংকট কাটার পর নেওয়া হবে। হামে ৪০০-এর বেশি শিশুর মৃত্যু হলেও চিকিৎসা ও টিকা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। যেসব শিশু টিকা পায়নি, তাদের খুঁজে টিকা দেওয়া হবে।

ঢাকায় এনসিপির মানববন্ধনে সরকার নাগরিকের নিরাপত্তায় ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। হামে শিশুমৃত্যুর হার নিয়ন্ত্রণ এবং সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবিও উঠেছে। কর্মসূচিতে এনসিপির নেতারা খুন-ছিনতাই ও চাঁদাবাজির ঘটনা বৃদ্ধির প্রতিবাদ করেন।

তাৎক্ষণিক স্বাস্থ্য–সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছে স্বচ্ছতার অভাব এবং টিকার সরবরাহ–ব্যর্থতার কারণ নিয়ে বিভ্রান্তিকর বয়ান।

বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব ও এর ফলে শিশু মৃত্যুর সাম্প্রতিক মিছিল জাতির বিবেককে নাড়া দিয়েছে। বাংলাদেশ যখন টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে হামের মতো প্রতিরোধযোগ্য রোগকে কার্যত নিয়ন্ত্রণে সাফল্য দেখিয়েছে, তখন গত কয়েক মাসে কয়েক শ শিশুর প্রাণহানি কেবল স্বাস্থ্য সংকট নয়, এটি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার নির্মম প্রতিচ্ছবি।

একটি শিশুর লাশ যখন বাবার কাঁধে ওঠে, তখন তা কেবল একটি পরিবারের ব্যক্তিগত শোক থাকে না; সেটি হয়ে ওঠে রাষ্ট্র, সমাজ ও জনস্বাস্থ্যব্যবস্থার কাছে এক নির্মম প্রশ্ন।

চট্টগ্রামে গরম শুরুর সঙ্গে বেড়েছে শিশুদের নিউমোনিয়ার প্রকোপ। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এপ্রিল মাসের প্রথম ২০ দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ২৭৫টি শিশু ভর্তি ছিল। এর মধ্যে নিউমোনিয়া নিয়ে ২৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এসব শিশুর হাম শনাক্ত না হলেও তাদের শরীরে ফুসকুড়ি ছিল।

রাজধানীতে তপ্ত দুপুরে ব্যস্ত সড়কে এক স্বজনের কোলে চাদরে মোড়ানো তিন বছর বয়সী সাদমানের মরদেহ। মুক্তকণ্ঠের এমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচিত হয়েছে।

করোনা মহামারির পর জনস্বাস্থ্য নিয়ে আবারও একটা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। মহামারি বা অতিমারির মতো কিছু না হলেও হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে আমরা এ কারণেই শঙ্কিত যে এ রোগে আক্রান্ত হয়ে আমাদের শিশুরা মারা যাচ্ছে।