
কীভাবে যুদ্ধে মানিয়ে নিতে হয়, দেখিয়ে দিচ্ছে ইরানের সামরিক বাহিনী
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার মুখে ইরানি সামরিক বাহিনী তাদের রণকৌশল পরিবর্তন করছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার মুখে ইরানি সামরিক বাহিনী তাদের রণকৌশল পরিবর্তন করছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধের সময়টায় সর্বোচ্চ নেতার চিরচেনা ভূমিকায় বড় পরিবর্তন এসেছে।

ইরান তার সীমিত সামর্থ্যকেই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘গলার কাঁটা’ বানিয়ে ছেড়েছে।

স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, কবরস্থান ভেঙে সামরিক স্থাপনা তৈরি করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।

প্রত্যাশার চেয়েও দ্রুতগতিতে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা পুনরুদ্ধার করছে ইরান। এমনকি গত এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতির মধ্যে ড্রোন বানানোও শুরু করে দিয়েছে। এমন খবর পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী সোমবার থেকে ইরানের সব বন্দর অবরোধ করার হুমকি দিয়েছে। পাকিস্তানে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর এই ঘোষণা সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়েছে। তেলের দামও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

বিউফোর্ট দুর্গে ইসরায়েল ও গোলানি ব্রিগেডের পতাকা উড়তে দেখা গেছে। আশপাশের পাহাড়ে গোলাবর্ষণ হচ্ছে।

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বলেছেন, সুদৃঢ় সামরিক-বেসামরিক সম্পর্ক দেশের সার্বভৌমত্ব ও উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য।

ইরানে সামরিক হামলা চালানোর জন্য পুরোপুরি প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।

ইরানের আবারও হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে একটি চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার ঘোষণা আসার পর মার্কিন সামরিক বাহিনী ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর থেকে তাদের ২০ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী গতকাল এক বিবৃতিতে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের একাধিক ড্রোন ভূপাতিতের দাবি করে।