
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর মালয়েশিয়ায়
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর মালয়েশিয়ায়

প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর মালয়েশিয়ায়

স্বপ্নে দেখেন, কেউ তাঁকে জ্ঞানান্বেষণের নির্দেশনা দিচ্ছে। জানতে চান, কোথায় গেলে জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন। তাঁকে মক্কার দিকে ইশারা করে দেখিয়ে নির্দেশদাতা অদৃশ্য হয়ে যান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে মালয়েশিয়া ও চীন সফর নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ।

চীনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে বেইজিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তিন দিনের সরকারি সফর শুরু।

মালয়েশিয়া সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

সেনাপ্রধান গত ২৮ জুন এই সরকারি সফরে গিয়েছিলেন।

আজ বেইজিংয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হবে।

কূটনৈতিক সম্পর্কের কিছু মুহূর্ত আসে, যা শুধু আনুষ্ঠানিক প্রটোকলের অংশ নয়, বরং ইতিহাসের গতিপথ পরিবর্তনের অনন্য সুযোগ তৈরি করে।

আলোচ্যসূচি এখনো চূড়ান্ত না হলেও আসন্ন সফরে অভিবাসন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি শিক্ষা খাতে সহযোগিতার মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির ভারত সফরকে ফলপ্রসূ বলে উল্লেখ করেছেন। দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়ন, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ, জ্বালানি সহযোগিতা ও অন্যান্য বিষয়ে আলোচনার বিস্তারিত জানিয়েছেন। সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিলেট সফরের চূড়ান্ত সূচি তৈরি করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়া হয়ে চীনে গেছেন। অর্থনৈতিক স্বার্থের বিবেচনায় দুটি দেশই বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মালয়েশিয়া বাংলাদেশের রেমিট্যান্সের অন্যতম উৎস। সেখানে বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর ওপর বর্তমান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার বাংলাদেশে বড় চাওয়া। আর সহজ শর্তে ঋণ, বিনিয়োগ, অবকাঠামো নির্মাণে সহায়তা বা বাণিজ্য সম্পর্ক—যেকোনো বিবেচনায় চীন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহযোগী। তবে আঞ্চলিক ভূরাজনীতি ও কৌশলগত বিবেচনায় সফর দুটির মাত্রাগত পার্থক্য ও ভিন্নতা আছে।