
শেয়ারবাজারে আশার ঝিলিক, আছে শঙ্কাও
সবশেষ গত মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন ছাড়িয়েছে দেড় হাজার কোটি টাকা। আর সূচক বেড়ে ছয় হাজারের কাছাকাছি পৌঁছেছে।

সবশেষ গত মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন ছাড়িয়েছে দেড় হাজার কোটি টাকা। আর সূচক বেড়ে ছয় হাজারের কাছাকাছি পৌঁছেছে।

২০১০ সালের শেয়ারবাজার ধসের পর চতুর্থ দফায় বদল হয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) শীর্ষ নেতৃত্ব।

বাংলাদেশের শেয়ারবাজার ১৯৯৬ ও ২০১০ সালে তীব্র সংকট দেখেছে। যখন শেয়ারের দাম মৌলিক ভিত্তির অনেক ওপরে উঠে যায় এবং পরে ধসে পড়ে। তাতে অসংখ্য ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর সঞ্চয় হারিয়ে যায়।

জাতীয় সংসদে আজ সোমবার অর্থমন্ত্রী অর্থ বিল সংশোধনের যে প্রস্তাব করেছেন তাতে ব্যক্তি করদাতাদের লভ্যাংশ আয়ের ওপর করহার কমিয়ে ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করতে ডিএসই বন্ধ থাকা ৩২টি ও আর্থিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ৩০টি কোম্পানির আলাদা তালিকা প্রকাশ করেছে।

ঢাকার বাজারে আজ রোববার ১ হাজার ৫২৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়, যা গত ২২ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

ঢাকার বাজারের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আজ মঙ্গলবার বেড়ে তিন মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠে এসেছে।

সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন এবং সূচক কমলেও মীর আকতারের শেয়ারের দাম বেড়েছে সবচেয়ে বেশি, ৯.৮২ শতাংশ। ১২৩টি কোম্পানির শেয়ার উর্ধ্বমুখী হলেও সামগ্রিকভাবে বাজার নেমেছে। লেনদেন হয়েছে ৭৯৩ কোটি ৪২ লাখ টাকার।

গত সপ্তাহে ঢাকা শেয়ারবাজারে মিউচুয়াল ফান্ড, সিরামিক ও ভ্রমণ খাত থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে প্রকৌশল, বিমা, ট্যানারি ও বিবিধ খাতে বিনিয়োগ বেড়েছে। হাতেগোনা কোম্পানিতে স্বল্পমেয়াদি লাভের আশায় এই প্রবণতা দেখা গেছে, যাতে ঝুঁকি রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে ব্যাংক ও ওষুধ খাতে সুযোগ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন বাড়লেও সূচক কমেছে। দাম বেড়েছে ১১৪টি কোম্পানির শেয়ারের, যার মধ্যে শীর্ষে বাংলাদেশ অটোকারস ৯.৯১% বৃদ্ধিতে। দাম কমেছে ২৫০টি এবং অপরিবর্তিত ৩০টি।

ভালো শেয়ারের দরপতনে ঢাকার বাজারে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আজ মঙ্গলবার ২০৯ পয়েন্ট কমেছে। সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেন।

ঢাকার বাজারে আজ রোববার লেনদেনের শুরু থেকেই ছিল সূচকের উত্থান-পতন। যদিও দিন শেষে ডিএসইএক্স সূচকটি ২ পয়েন্ট বেড়েছে।