
শাওয়াল মাসের ফজিলত ও আমল
শাওয়াল হলো আরবি চান্দ্রবর্ষের দশম মাস। এটি হজের তিন মাসের (শাওয়াল, জিলকদ, জিলহজ) প্রথম মাস।

শাওয়াল হলো আরবি চান্দ্রবর্ষের দশম মাস। এটি হজের তিন মাসের (শাওয়াল, জিলকদ, জিলহজ) প্রথম মাস।

শাওয়াল মাস থেকেই হজের আনুষ্ঠানিক মানসিক শারীরিক ও আর্থিক প্রস্তুতি শুরু হয়। কারণ, এই মাস হজের তিনটি মাসের (শাওয়াল, জিলকদ ও জিলহজ) প্রথম মাস।

এই আমলটির ভিত্তি বা সংশ্লিষ্ট হাদিসটির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আলেমদের মধ্যে কিছু বিতর্ক রয়েছে। বিশেষ করে হাফেজ ইবনুদ দিহিয়া এই হাদিসটিকে দুর্বল প্রমাণের চেষ্টা করেছিলেন।

যখন একজন বান্দা পূর্ববর্তী নেক আমল করার পর পুনরায় নেক আমল করার তাওফিক পান, সেটি আল্লাহর পক্ষ থেকে আমল কবুলের একটি দৃষ্টান্ত হতে পারে।

মুসলমানদের দুটি ঈদ—পবিত্র ঈদুল ফিতর (রোজার ঈদ) ও ঈদুল আজহা (কোরবানির ঈদ)।

শাওয়ালের চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদ শনিবার

রমজান মাস পূর্ণ হওয়ার পর পয়লা শাওয়াল হলো ঈদুল ফিতর বা রমজানের ঈদ। শাওয়াল মাসের চাঁদরাতই হলো ঈদের রাত।

শাওয়াল মাসের চাঁদ উঠেছে এসেছে খুশির ঈদ, সিয়াম সাধনার বিদায়বেলাতে বাজে নতুন গীত।।

বাংলাদেশের আকাশে আজ বৃহস্পতিবার ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি।

পবিত্র রমজান মাস শেষে ১ শাওয়াল ঈদুল ফিতর পালিত হয়।

শরীয় কারণে রমজানে রোজা ভাঙলে কাজা বাধ্যতামূলক, কিন্তু বিলম্বের বিধান কী? হানাফি মতে কেবল কাজাই যথেষ্ট, অন্যান্য মতে ফিদইয়াও দিতে হয়। দুর্বল বা বয়স্কদের জন্য ফিদইয়ার সুবিধা রয়েছে।

ঈদের ছুটি শেষ হওয়ার পর খিটখিটে মেজাজ ফিরে আসছে কেন? কোরআন-হাদিসের আলোকে রাগ নিয়ন্ত্রণের কার্যকর উপায়গুলো জানুন। রমজানের ধৈর্য সারা বছর ধরে রাখুন।