
শতবর্ষ পূর্তিতে গান-গল্প-আড্ডায় মাতলেন সবাই
একসময়ের সহপাঠীকে কাছে পেয়ে গল্পে-স্মৃতিচারণায় তাঁরা ফিরে যান শৈশব-কৈশোরের স্কুলের দিনগুলোতে। কেউ কেউ বলে ওঠেন, ‘বন্ধু, কী খবর বল, কত দিন দেখা হয়নি।’

একসময়ের সহপাঠীকে কাছে পেয়ে গল্পে-স্মৃতিচারণায় তাঁরা ফিরে যান শৈশব-কৈশোরের স্কুলের দিনগুলোতে। কেউ কেউ বলে ওঠেন, ‘বন্ধু, কী খবর বল, কত দিন দেখা হয়নি।’

ঝিনাইদহের শতবর্ষী বটগাছে রেস্তোরাঁ তৈরিতে পাখির কিচিরমিচির হারিয়ে গেছে মানুষের কোলাহলে। উদ্যোক্তারা বলছেন পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে না, কিন্তু পরিবেশবাদীরা এটিকে গাছের হত্যাকাণ্ড বলছেন। কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন।

আজ ৮ মে শতবর্ষে পা রাখলেন স্যার ডেভিড অ্যাটেনবরো। তাঁর নামে ব্যাঙ, বিটল, মাংসাশী উদ্ভিদ থেকে ট্রপিক্যাল প্রজাপতির ৫০টির বেশি প্রজাতির বৈজ্ঞানিক নামকরণ হয়েছে। সাত দশকের কর্মজীবনে তিনি প্রকৃতির অজানা গল্প নতুন প্রযুক্তিতে তুলে ধরে বিশ্বকে মুগ্ধ করেছেন।

বরিশালের গৌরনদী উপজেলার শতবর্ষী অশ্বত্থগাছের ছায়ায় বসে বিল্বগ্রাম হাট। শনি ও বুধবার সপ্তাহে দু'দিন চলে এই ঐতিহ্যবাহী হাটে, যেখানে নারী উদ্যোক্তাদের স্থায়ী মার্কেট, তাজা মাছ-পান ও শাকসবজির পসরা দেখা যায়। ধর্মীয় সম্প্রীতির চিত্রও এখানে স্পষ্ট।

নদীর তীরে গ্রামের হাট। কবুতর বেচাকেনার জন্য এখানে দূরদূরান্তের মানুষ আসেন। শত বছর ধরে চলছে এই হাটের কার্যক্রম।

জাতীয় সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো কাজী নজরুল ইসলামের ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ গানের শতবর্ষে নানা অনুষ্ঠান আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছে।

দিনভর আড্ডা, গল্প ও স্মৃতিচারণায় মেতেছেন যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। শতবর্ষপূর্তি উপলক্ষে উদযাপিত হচ্ছে দুই দিনব্যাপী পুনর্মিলনী।

কাজী নজরুল ইসলামের সিলেট পরিভ্রমণের শতবর্ষপূর্তি গতকাল রোববার ঘটা করে বর্ণিল আয়োজনে পালন করা হয়। ‘সিংহবাড়িতে কবি নজরুল: শতবর্ষ স্মরণোৎসব’ শীর্ষক এ আয়োজনজুড়ে ছিল কবির সৃষ্টি বন্দনা।

‘যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি হাসতে পারছেন, কেউ আপনাকে মেরে ফেলতে পারবে না।’

পঞ্চগড় সদর উপজেলার শেখপাড়া গ্রামে আবারও বসেছিল শতবর্ষী ‘পাগলির মেলা’। খেলনা বাঁশির শব্দ, নাগরদোলা, মাটির তৈজসপত্র, চুড়ি-ফিতা, মুড়ি-মুড়কি ও গুড়ের জিলাপির দোকানে ক্রেতাদের ভিড়ে উৎসবমুখর ছিল মেলা প্রাঙ্গণ।

এভাবে ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ গড়ে ওঠে পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক চৈতন্যের বনিয়াদে। দেশ-কালের বিশেষ পরিস্থিতি মোকাবিলা করে সে আয় করে নেয় তেজোদ্দীপ্ত উচ্চারণভঙ্গি। তৎসম শব্দ, স্বর ও ব্যঞ্জনের সুরেলা বিন্যাস আর সামষ্টিক জনতার কোরাসসম উচ্চারণে নিষ্পন্ন হয় তার নান্দনিক বিশিষ্টতা। উত্থিত জনতার লিপ্ত আবেশে গড়া যুগের সবল অভিব্যক্তি থেকে সে শুষে নেয় মুক্তির প্রকল্প। যুগসত্য থেকে ছেনে নেওয়া বলেই মুক্তির এ বার্তা এত তীব্র, কার্যকর আর সামঞ্জস্যপূর্ণ। শতবর্ষে এসে নিশ্চিন্তে বলা যায়, বাংলাভাষীরা আরও বহুকাল ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ নিত্য বর্তমান শিল্পকর্ম হিসেবে ব্যবহার ও ভোগ করতে থাকবে।

শিলখালী গর্জন বনে গাছ রক্ষায় স্থানীয় বাসিন্দাদের আন্দোলনে সড়কের নকশা বদলাতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।