
জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত গত কয়েক দশকে মাতৃমৃত্যু, শিশুমৃত্যু এবং সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত গত কয়েক দশকে মাতৃমৃত্যু, শিশুমৃত্যু এবং সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

পায়ুপথের প্রধান রোগগুলোর মধ্যে পাইলস (অর্শ), অ্যানাল ফিসার (গেজ) ও ফিস্টুলা (ভগন্দর বা নালি ঘা) অন্যতম। এসব রোগের মূল কারণ হলো কোষ্ঠকাঠিন্য ও মলত্যাগে অতিরিক্ত চাপ দেওয়া ইত্যাদি।

এমআরএনএ প্রযুক্তি ব্যবহার করে শরীরের যকৃৎ বা লিভারকে ইমিউন বুস্টার কারখানায় রূপান্তরের কৌশল খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

ইসলাম কেবল পার্থিব চিকিৎসার ওপর গুরুত্ব দেয়নি; বরং আধ্যাত্মিক আরোগ্যের অনন্য পদ্ধতি শিখিয়েছে, যাকে বলা হয় ‘রুক্ইয়া’। এটি কোনো জাদুকরি প্রক্রিয়া নয়; বরং ইবাদত।

জলাতঙ্ক একটি প্রাণঘাতী রোগ, তবে সঠিক সময়ে ব্যবস্থা নিলে এটি শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য। ভাইরাসে আক্রান্ত কুকুর বা অন্য প্রাণীর লালা থেকে যা ছড়ায়।

অ্যাজমা বা হাঁপানি একটি দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসতন্ত্রের রোগ। এই রোগে প্রধানত ফুসফুসের ক্ষুদ্র শ্বাসনালিগুলো আক্রান্ত হয়।

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে টিকাদানে ঘাটতির কারণে। অসম্পূর্ণ ডোজের ফলে বড় জনগোষ্ঠী ঝুঁকিতে রয়েছে। সময়মতো টিকা নিয়ে এই প্রাণঘাতী রোগ থেকে সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব।

প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগল বা এর মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেটের লাইফ সায়েন্সেস বিভাগ ভ্যারিলি যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৬ কোটি ৪০ লাখ মশা ছাড়ার পরিকল্পনা করেছে।

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম রোগটি চেনা। সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা একমত হয়ে পাল্টে ফেলেছেন এ রোগের নাম। নতুন নাম হলো পলিএন্ডোক্রাইন মেটাবলিক ওভারিয়ান সিনড্রোম।

এমভি হোন্ডিয়াস প্রমোদতরিতে হান্টাভাইরাসে তিন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, এটি মহামারির সূচনা নয় এবং সাধারণ মানুষের জন্য ঝুঁকি খুব কম। যাত্রীদের বিভিন্ন দেশে ফিরে যাওয়ায় কর্তৃপক্ষ পর্যবেক্ষণ জোরদার করেছে।

জন্মের পর থেকে ১৫ মাস বয়স পর্যন্ত ইপিআই কর্মসূচিতে শিশুদের ১০টি রোগের বিরুদ্ধে টিকা দেওয়া হয়। টাইফয়েড, এইচপিভি এবং টিটেনাস টিকার তথ্যসহ সময়মতো টিকাদানের গুরুত্ব জানুন। ডোজ মিস হলে কী করবেন এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত।

বাংলাদেশে শিশুদের মধ্যে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. তাজুল ইসলাম এ বারী বলছেন, টিকাদানের হার কম হওয়ায় এমনটা হচ্ছে এবং এখনই সাপ্লিমেন্টারি ভ্যাকসিনেশন চালু না করলে ব্যাপক আউটব্রেকের আশঙ্কা। বড়রাও টিকা নিতে পারেন, তবে নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে।