
‘এই তো আল-আমিন, আমরা রাজি!’
দ্বন্দ্ব এমন পর্যায়ে পৌঁছাল যে, যুদ্ধের দামামা বেজে উঠল। বনু আবদুদ দার এবং বনু আদি গোত্র তো একটি পাত্রে রক্ত ভরে তাতে হাত ডুবিয়ে মৃত্যুর শপথ পর্যন্ত নিয়ে নিল।

দ্বন্দ্ব এমন পর্যায়ে পৌঁছাল যে, যুদ্ধের দামামা বেজে উঠল। বনু আবদুদ দার এবং বনু আদি গোত্র তো একটি পাত্রে রক্ত ভরে তাতে হাত ডুবিয়ে মৃত্যুর শপথ পর্যন্ত নিয়ে নিল।

মদিনার তিন দিক ছিল পাহাড় ও ঘন খেজুরবাগানে ঘেরা, যা প্রাকৃতিকভাবেই সুরক্ষিত ছিল। কেবল উত্তর দিক ছিল উন্মুক্ত, যেখান দিয়ে শত্রুর প্রবেশের সম্ভাবনা ছিল।

অত্যাচারে জর্জরিত হয়ে তিনি আল্লাহর নির্দেশে জন্মভূমি মক্কা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। মক্কা ছেড়ে মদিনায় হিজরত করে যাওয়ার সময় বারবার মক্কার দিকে তাকাচ্ছিলেন।

‘হে আল্লাহর রাসুল, আপনি কি মক্কায় আপনার বাড়িতে অবস্থান করবেন? নবীজি বলেন, ‘আকিল কি আমাদের জন্য কোনো চারদেয়াল বা ঘরবাড়ি অবশিষ্ট রেখেছে?

তায়েফ দুর্গ অবরোধের সময় যখন তিনি দেখলেন যে দীর্ঘ অবরোধ চালালে মুসলিম মদিনার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে, তখন তিনি সাহসিকতার সঙ্গে অবরোধ তুলে নেন।

যারা অজ্ঞ ও অহংকারী, তারা কখনো হেদায়েত পায় না, জ্ঞানও হাসিল করতে পারে না। বৃষ্টি ও মাটির উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি তিনি চমৎকারভাবে তিনি বুঝিয়েছেন।

দশম হিজরিতে মহানবী (সা.)-এর হজযাত্রা শুরু হয়। মদিনায় জড়ো হয় বিপুল জনতা তাঁর সঙ্গী হওয়ার আকাঙ্ক্ষায়। খুতবায় তিনি হজের নিয়ম ও শিক্ষা বর্ণনা করেন এবং সাধারণভাবে যাত্রা শুরু করেন।

নেতৃত্বের প্রকৃত সংজ্ঞায় মহানবী (সা.)-এর চেয়ে সফল কেউ নেই। তাঁর জীবন থেকে সফল নেতা বা সংগঠক হওয়ার ১০টি অনন্য সূত্র তুলে ধরা হয়েছে। এগুলো অনুসরণ করে যেকোনো দলকে সাফল্যের শিখরে নেওয়া সম্ভব।

কেউ কেউ দাবি করেন যে তাঁরা সশরীরে নবীজিকে দেখেছেন বা তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। কিন্তু শরিয়তের আলোকে এই দাবির সত্যতা কতটুকু, তা পর্যালোচনার দাবি রাখে।

এই জাতিকে আল্লাহ অল্প শ্রমে অধিক সওয়াব, জুমার নামাজ, নামাজের কাতার ফেরেশতাদের মতো হওয়াসহ এমন কিছু বিশেষত্ব দিয়েছেন, যা আগের জাতিগুলোর না।

যারা বিভিন্ন কারণে পরিবার থেকে দূরে আছেন, তাদের উচিত নবীদের জীবনী থেকে শক্তি সঞ্চয় করা। মানুষের পরিকল্পনা যেখানে শেষ, আল্লাহর পরিকল্পনা সেখান থেকেই শুরু।

মানবজীবনে সাফল্য অর্জন যত কঠিন, তার চেয়েও কঠিন সেই সাফল্যকে সংহত ও স্থায়ী করা।