
যুদ্ধ বন্ধে প্রথম ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে রাশিয়া, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্র
রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসেছে মস্কো, কিয়েভ ও ওয়াশিংটন।

রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসেছে মস্কো, কিয়েভ ও ওয়াশিংটন।

গত মাসের শেষের দিকে আবুধাবিতে যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে প্রথম ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হয়।

যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রাশিয়ায় প্রায় ১৪ লাখ মানুষ হতাহত হয়েছেন, যা দেশটির জনসংখ্যার প্রায় ১ শতাংশের সমান। তাঁদের মধ্যে প্রায় সাড়ে চার লাখ নিহত।

যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়া, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের পর আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ এমন বড় যুদ্ধ আর দেখেনি। একই সঙ্গে এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে রাশিয়ার সবচেয়ে প্রাণঘাতী যুদ্ধ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধ শেষের দিকে এগোচ্ছে বলে মনে করছেন। বিজয় দিবসে তিনি রাশিয়ার বিজয় ঘোষণা করেন এবং যুদ্ধের কারণে পশ্চিমা নেতাদের দোষারোপ করেন। এছাড়া তিন দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছে।

উচ্চশিক্ষার জন্য রাশিয়ায় যাওয়া মৌলভীবাজারের তরুণ মুহিবুর রহমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত হয়েছেন বলে স্বজনদের দাবি।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে রোবট এবং ড্রোন ব্যবহারের ফলে যুদ্ধের নতুন মাত্রা সৃষ্টি হয়েছে।

রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে দূরপাল্লার হামলা জোরদার করেছে কিয়েভ। জেলেনস্কি একে যুদ্ধ বন্ধে মস্কোকে বাধ্য করার কৌশল হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

রুস্তেম উমেরভ ইউক্রেনের জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের প্রধান।

আজ ইউক্রেন যুদ্ধের চার বছর পূর্তিতে এসেও যুদ্ধ এখনো অব্যাহত। এই যুদ্ধ নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের যুদ্ধের চেয়েও দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে।

ইউক্রেনীয় সেনাদের হত্যায় এ দেশেরই তরুণীদের ভাড়া করছে রাশিয়া। টেলিগ্রামে যোগাযোগ করে তাঁদের টাকা উপার্জনের লোভ দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের পুলিশপ্রধান।