
মোহাম্মদপুর-আদাবরে অপরাধ কমছে না
মোহাম্মদপুর-আদাবরে অপরাধ কমছে না

মোহাম্মদপুর-আদাবরে অপরাধ কমছে না

নির্বাচনের পর আবার সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা অপরাধীদের, অনেকেই জামিনে বের হয়ে একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশ অপরাধীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালাচ্ছে। মোহাম্মদপুরের অপরাধ দমনে রায়েরবাজারে থানা স্থাপিত হবে।

মোহাম্মদপুর যেন ‘সিটি অব গড’

বাংলাদেশের মোহাম্মদপুরও যেন ‘সিটি অব গড’; দশকের পর দশক ধরে সেখানে অপরাধী দল নিজেদের মধ্যে খুন, পাল্টা খুন করছে।

ব্রাজিলের শহুরে অন্ধকার, অপরাধ আর বেঁচে থাকার নির্মম বাস্তবতাকে এমন শ্বাসরুদ্ধকর ভঙ্গিতে খুব কম সিনেমাতেই তুলে ধরতে পেরেছে, যেমনটা করেছে ‘সিটি অব গড’।

পুলিশ সূত্র জানায়, আসাদুলের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে চারটি মামলা রয়েছে। এর আগে বিভিন্ন সময়ে তাঁকে চারবার গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল।

রাজধানীতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি জোরদারে ১১ হাজার সিসি (ক্লোজড সার্কিট) ক্যামেরা।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্বে থাকা সাংবাদিকদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে এসব তথ্য জানান ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন।

মোহাম্মদপুরে বৈদ্যুতিক খুঁটির গোড়া থেকে মানুষের মাথার খুলি ও হাড় উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মহাপরিচালক (অনুসন্ধান ও তদন্ত-২) মো. মোতাহার হোসেন।

পুলিশ বলছে, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও কিশোর গ্যাংসহ নানা অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে এই অভিযান শুরু করা হয়েছে।