
প্রেতপুরীতে রাম: ভারতীয় অনুপ্রেরণার উৎস
মাইকেল তাঁর মহাকাব্যে জীবন থেকে চরিত্র না নিয়ে বরং চরিত্রদের জীবন দান করে বিশ্বস্তভাবে অটল থাকেন হিন্দু পুরাণের জগতে।

মাইকেল তাঁর মহাকাব্যে জীবন থেকে চরিত্র না নিয়ে বরং চরিত্রদের জীবন দান করে বিশ্বস্তভাবে অটল থাকেন হিন্দু পুরাণের জগতে।

১২ জুন। পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো যুদ্ধ শুরুর দিন নয়, কোনো সাম্রাজ্যের উত্থান বা পতনের দিনও নয়। তবু দিনটি মানবসভ্যতার স্মৃতিতে বিশেষভাবে খোদাই হয়ে আছে। ১৯২৯ সালের এই দিনে জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট শহরে জন্ম নিয়েছিল অ্যান ফ্রাঙ্ক, যে পরে হয়ে ওঠে যুদ্ধের বিরুদ্ধে মানবতার শক্তিশালী কণ্ঠস্বর।

মধ্যযুগের এই ধর্মতাত্ত্বিক ও মরমি সাধক তাঁর আবেগঘন ও কাব্যিক আধ্যাত্মিক রচনার জন্য সুপরিচিত। সুসোর দর্শন ঈশ্বরপ্রেম ও কৃচ্ছ্রসাধনের এক গভীর মিশ্রণ।

আমাদের আবার প্রশ্ন করতে শিখতে হবে। মনে রাখতে হবে, প্রামাণিক তথ্যের বাইরে যা কিছু আবেগ দিয়ে গেলানো হচ্ছে, তা আসলে একধরনের আধিপত্য।

‘বনলতা সেন’ কবিতার অন্তর্জালিক সংস্করণের তিনটিতে অনুবাদকদের সবাই কথককে মলয় উপদ্বীপের দূরবর্তী জলসীমায় সঠিকভাবেই স্থাপন করেছেন।

‘আমার অন্তরে এমন কিছু একটা ঘটেছে, যা আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না, না কোনো বই কিংবা আইনে এর কোনো ব্যাখ্যা খুঁজে পাচ্ছি।’

আপনি বালি দিয়ে তায়াম্মুম করছেন কেন?’ ‘হতে পারে সেখানে পৌঁছানোর আগেই আমি আর বেঁচে না–ও থাকতে পারি’, জবাবে তিনি বললেন।

বাংলার নিম্নবর্গের স্বাধীনতা ও মুক্তির সংগ্রামে যোগেন মণ্ডল শেষ পর্যন্ত জিততে পারেননি, যেভাবে ভারত ও পাকিস্তানে চূড়ান্ত বিচারে হেরেছিলেন গান্ধী ও জিন্নাহ।

‘বোর্হেসের অপ্রকাশিত বা অগ্রন্থিত’ শীর্ষক গ্রন্থগুলোয় যেসব রচনা আছে তার কোনোটিতেই রবীন্দ্রনাথ বিষয়ক এই বক্তৃতাটি নেই।

লেনিন কেন দার্শনিকদের তালিকায় অনুপস্থিত, যদিও দর্শনচর্চা ও রাষ্ট্রচিন্তায় তাঁর অবদান অনস্বীকার্য?

মুসলিম সাহিত্য সমাজ ও তার ভাবাদর্শ অবলম্বন করে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন ও ‘শিখা’ পত্রিকা প্রকাশের শত বছর পূর্ণ হলো ২০২৬ সালে। পাশাপাশি অধ্যাপক আবুল ফজলের জন্মদিন ছিল ১ জুলাই। এ উপলক্ষে তাঁর পুত্রের স্মৃতিচারণা।

দ্বাদশ-ত্রয়োদশ শতাব্দীর মরমি কবি ফরিদ উদ্দিন আত্তারের ‘তাজকিরাত আল-আউলিয়া’ ফারসি ভাষায় রচিত সুফিদের জীবনীভিত্তিক একটি আকরগ্রন্থ। বাংলায় এর আক্ষরিক অর্থ ‘সাধুদের জীবনী’। মূল বইটির পরিসর অনেক বিস্তৃত; কিন্তু ব্রিটিশ প্রাচ্যবিদ এবং তাসাউফ ও ফারসি সাহিত্যের পণ্ডিত এ জে আরবেরি (১৯০৫-১৯৬৯) বইটির একটি অ্যাব্রিজড বা সংক্ষিপ্ত ভার্সন প্রকাশ করেছেন। ২০০০ সালে ইংরেজি ভাষায় এটি ‘মুসলিম সেইন্টস অ্যান্ড মিস্টিকস’ নামে বের হয়। বইটিতে ৩৮টি অধ্যায়ে ভাগ করে সুফি সাধক ও তাঁদের জীবনের নানা অলৌকিক ঘটনার উল্লেখ করেছেন আরবেরি। এর একটি অধ্যায় সিজিস্তান বা বর্তমান আফগানিস্তানসংলগ্ন অঞ্চলের অধিবাসী প্রখ্যাত সুফি সাধক মালেক ইবনে দিনারের নামে।